ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় যৌথ অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ নাজমুল আরেফিন কিরনকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে কিরণের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত কিরন পৌর শহরের গুলশানপাড়ার মরহুম জিন্নাত আলীর ছেলে ও জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এদিকে, গতকাল বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ কিরনকে চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কার করে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সেনা ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দাদের দেয়া সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়ে গতকাল ভোর ৪টা হতে সকাল ৭টা পর্যন্ত ক্যাপ্টেন নুসরাত জারিন ৩৬ এডি’র নেতৃত্বে নাজমুল আরেফিন কিরণের বাড়িতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য যৌথ অভিযান চালায়। অভিযানে তার বাড়ির বিভিন্ন স্থান থেকে ১৮টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র, ৩টি চাপাতি, ৬টি বড় ছুরি, ৩টি রামদা, ৬টি তরবারি, ১টি থ্রি নট থ্রি রাইফেলের অংশ বিশেষ, ১টি ল্যাপটপ ও ২টি অ্যান্ড্রয়েড ও ১টি ফিচার মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, গ্রেপ্তারের পর গতকাল দুপুরে তাকে সদর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে সেনাবাহিনী। বিকেলেই তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলার পর আদালতে সোপর্দ করা হয় কিরণকে।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা গ্রেপ্তারকৃত নাজমুল আরেফিন কিরনের রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত করে বলেন, ‘কেন্দ্র থেকে তথ্য পর্যালোচনা করে কিরনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইনলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।’
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘গ্রেপ্তারের পর দুপুরে কিরনকে সেনাক্যাম্প থেকে থানায় হস্তান্তর করা হয়। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলার পর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। একই সাথে মামলাটি অধিকতর তদন্তের স্বার্থে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত তাঁকে জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন।
