ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদায় প্রজনন কর্মী আলমগীরের বিরুদ্ধে সরকারি বিধি উপেক্ষা করে প্রজনন ফি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৫ গুণ বেশি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আলমগীর লাল তীর লাইভস্টক ডেভেলপমেন্ট (বিডি) লিমিটেড কোম্পানির দামুড়হুদা সদর ইউনিয়নের প্রজনন কর্মী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
দামুড়হুদা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নীলিমা আক্তার হ্যাপী বলেন, খামারি নাজমা খাতুনের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি প্রজনন কর্মীর জন্য বীজের দাম এবং পারিশ্রমিক বাবদ নির্দিষ্ট ফি ৪০০ ও কোম্পানির কর্মীরা সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত নিতে পারবেন।
ভুক্তভোগী উপজেলার জয়রামপুর বারুইপাড়ার নাজমা খাতুন বলেন, ‘গত ৩১ মে আমার একটি গাভী হিটে আসে। প্রজনন করানোর জন্য আলমগীরকে ফোন করে ডাকি। ওইদিন সে আমার কাছে ১ হাজার ৫০০ টাকা নেয়। গতকাল ওই গাভি পুনরায় হিটে আসলে রিপিট কল দেওয়ায় জন্য আমি তাকে ফোন করি। সে ফোনে জানায়, ভালো বীজ নিতে হলে ৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি বলি ঠিক আছে ৪ হাজার টাকা দেব। পরে দুপুরের দিকে আলমগীর আমার বাড়িতে এসে বলে আমি বীজ কিনতে গিয়েছিলাম ৪ হাজার টাকায় বীজ পাওয়া যাচ্ছে না। আমি বলি কত টাকা দিতে হবে? সে জানায়, ৫ হাজার ১০০ টাকা দিতে হবে। আমি রাজি হলে আলমগীর আসরের নামাজের পর এসে প্রজনন করে দেয়। প্রজনন করে দিয়ে সে ৫ হাজার টাকা দাবি করলে আমি তাকে কিছু টাকা কম নেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। সে রাজি হয়নি। আমি সিমেনের স্টিক চাইলেও সে দেয়নি।’
নাজমা খাতুন আরও বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ, আমাদেরকে সহজ-সরল পেয়ে ভুল-ভাল বুঝিয়ে ভালো বীজ দেওয়ার কথা বলে আমার কাছে অনেক বেশি টাকা নিয়েছে। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাছে আমি তার উপযুক্ত বিচার ও শাস্তি দাবি করছি।’ এ ঘটনায় তিনি দামুড়হুদা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
