ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি গ্রামের গোল মোহাম্মদের মেয়ে ১ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ খোদেজাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের মৃত নজরুলের ছেলে মোশরাফের বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন পরিষদে টিসিবির পণ্য বিতরণের সময় এই ঘটনা ঘটে। তবে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে ভুলবোঝাবুঝি বলে দাবি করেছেন মোশারফ। ভুক্তভোগী খোদেজা বলেন, ‘মোশারফ আমাকে মেরেছে। আমি এর বিচার চাই।’
জানা যায়, টিসিবির পণ্য বিতরণ করার সময় লাইনে ভিড় লেগে গেলে টিসিবির ডিলার মোশারফের কাছে সাহায্য চান সুচারুভাবে টিসিবির পণ্য যাতে দিতে পারেন। এসময় মোশারফ সকল গ্রাম পুলিশকে বলেন, তোমরা লাইনে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে নাও। এসময় গ্রাম পুলিশ খোদেজা তার হাতে থাকা ব্যাগ মোশারফের মুখে ছুড়ে মারলে মোশারফ তাকে একটা ধমক দিয়ে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
মোশারফ মারধরের বিষয়টা অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি চেয়ারম্যান সাহেবকে ভাত দিতে এসেছিলাম। এসময় আমি পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাহেবের রুমে বসেছিলাম। টিসিবির পণ্য নিতে হট্টগোল শুরু হলে আমি ও সচিব সাহেব সেখানে গেলে টিসিবির মহিলা ডিলার আমাকে অনুরোধ করেন ভাই আমাকে একটু সাহায্য করেন। এসময় আমি লাইন ক্লিয়ার করে টিসিবির পণ্য নিতে বললে খোদেজা রাগ করে আমার মুখে ব্যাগ ছুড়ে মারে। তখন আমি গ্রামের মেয়ে হিসেবে ছোট বোন মনে করে তাকে একটা ধমক দিয়ে হালকা ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিই। বিষয়টা এতটুকুই।’
এ বিষয়ে পরিষদের নারী উদ্যোক্তা সালমা জানান, খোদেজা প্রথমে মোশারফের মুখে ব্যাগ ছুড়ে মারে। তারপর মোশারফ তাকে একটা ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেই। পরিষদের দফাদার মজিবার রহমান বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি ছিলাম। আমাদের গ্রাম পুলিশ খোদেজা মোশারফকে প্রথমে ধাক্কা মারে তারপর ওনি ধমক দিয়ে একটা ধাক্কা দিয়ে তাকে সরিয়ে দেই। মারধর করেছে এটা ঠিক না।’
কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন বলেন, ‘ঘটনাটি আমি শুনেছি। আমি উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে দেখবো আসল ঘটনা কী।’ দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তিথি মিত্র বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টা খতিয়ে দেখা হবে।
