ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কেরুজ ডিস্টিলারির গেটে কর্মরত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ডিও ইন্সপেক্টর ছানোয়ার হোসেনকে ঝালকাঠিতে স্ট্যান্ড রিলিজ (তাৎক্ষণিক বদলি) করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট নির্দেশনা ছাড়া একটি বোতলজাত দেশি মদের চালান ছাড়তে আপত্তি জানানোর ‘দায়েই’ এই রদবদল হয়েছে।
জানা গেছে, সম্প্রতি কেরুজ ডিস্টিলারি বিভাগে বাংলা মদের (সিএস) বোতলজাতকরণ কার্যক্রম শুরু হয়। তবে বাজারজাতকরণ এখনও পুরোপুরি শুরু না হলেও নমুনা চালান হিসেবে বিভিন্ন বন্ডেড ওয়্যারহাউজে পাঠানো হচ্ছে পণ্য। গত বুধবার পার্বতীপুর বন্ডেড ওয়্যারহাউজে ৫০০ কেস বাংলা মদ পাঠানোর সময় ছানোয়ার হোসেন এর আপত্তি জানান।
ছানোয়ার হোসেন জানান, ‘কেরুজ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে আমি সময় চেয়ে বলেছিলাম, প্রয়োজনীয় অনুমতি না থাকায় আমি আজ এটি ছাড়তে পারছি না। কাল সকালে আমি ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে আলোচনা করে জানাব।’ কিন্তু তার এই ‘বাধা’ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাংলাদেশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় থেকে স্ট্যান্ড রিলিজের আদেশ আসে। বদলির নির্দেশটি অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন, অর্থ ও পরিকল্পনা) মাসুদ হোসেন স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশে জানানো হয়। ছানোয়ার হোসেনকে চুয়াডাঙ্গা থেকে বদলি করে ঝালকাঠি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ে পাঠানো হয়।
এদিকে, যেই ৫০০ কেস চালান ছানোয়ার বাধা দিয়েছিলেন, তা পরদিন বৃহস্পতিবার পার্বতীপুরে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে কেরুজ ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান জানান, এ ধরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি বরং তিনি নিজেই বদলির জন্য চেষ্টা করছিলেন, ঝালকাঠিতে নয় বরং পাবনার এই সাইডে। আর বাংলা মদ বোতলজাত করার সিদ্ধান্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ডিজির অনুমোদন ক্রমেই করা হয়েছে। এখানে নিয়মের কোনো ব্যতয় ঘটেনি।
