ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গার আনন্দধামে আদালতের স্থিতিবস্থা অমান্য করে জমি দখল করে রাতারাতি বসতবাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের নিকট থেকে হুমকির শিকার হয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। এছাড়া আদালতের স্থিতিবস্থা উপেক্ষা করেই নির্মাণকাজ চলমান থাকলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হচ্ছে না কোনো পদক্ষেপ। এতে বিপাকে পড়েছেন সাবেক সেনা সদস্য মিজানুর রহমান মুসা। পরিবারের সদস্যরা হতাশায় ভুগছেন। এ ঘটনায় আদালতের আদেশের কপি সংযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দিলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান মুছা জানান, তার মালিকানাধীন কলেজপাড়ার দোকান ঘর ও বসতবাড়ি তিনি দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। তহমিনা খাতুনের নিকট থেকে ৯৭৮৬ নম্বর হেবা দলিলের মাধ্যমে ২০১৪ সালে তিনি ওই জমি ক্রয় করেন। জমির খাজনা নিয়মিত পরিশোধ করে সার্টিফিকেট কেস মূলে বৈধ দখল প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। তবে কিছুদিন ধরে গোলাপ হোসেন ও তার সহযোগীরা জমি দখলের চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, গত ৮ এপ্রিল সকালের দিকে গোলাপ হোসেন ও তার ‘সন্ত্রাসী কায়দায়’ কিছু লোকজন নিয়ে দোকানে হামলা চালায় এবং দোকান ঘরের মালামাল ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ ঘটনায় মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী শিল্পী খাতুন বাধা দিলে তাদের বেধড়ক মারধর করা হয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী পরিবার বিষয়টি আদালতের শরণাপন্ন হয়ে ১৪৫(১) ধারায় চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করেন। আবেদনপত্রে জমির শান্তিপূর্ণ দখল রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নের আশঙ্কায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।
কিন্তু আদালতে আবেদন চলাকালীনও গোলাপ হোসেন গং প্রকাশ্যে আদালতের আদেশ ও আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাতারাতি সেখানে নির্মাণ কাজ শুরু করে দিয়েছেন। অভিযুক্ত গোলাপ হোসেনের নিকট জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে জানান, ‘আমার জমিতে আমি বাড়ি বানাচ্ছি তাতে সমস্যা কিসে। আদালতের আদেশ আমি মানি না।’
