ছবির ক্যাপশন:
কারাদণ্ড
মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার যতারপুর গ্রামে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প করতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়েছেন এক ভুয়া চিকিৎসক। তার নাম তাফহিমুল হুছাইন। তিনি এমবিবিএস ডিগ্রিধারী না হলেও দীর্ঘদিন ধরে চোখের বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার করে আসছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি একজন প্রকৃত চক্ষু বিশেষজ্ঞের বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করছিলেন প্রতারণার উদ্দেশ্যে।
গতকাল শনিবার দুপুরে স্থানীয় জনতা সন্দেহজনকভাবে তাফহিমুলকে আটকে রাখে এবং বিষয়টি জানায় পুলিশকে। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পলাশ মন্ডল ও পুলিশ তাফহিমুলের কাগজপত্র যাচাই করে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার প্রমাণ পান। তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাফহিমুলের সহকারী সাগর আলীকে এক মাসের কারাদণ্ড এবং গাড়ি চালক ইমনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জানা গেছে, তাফহিমুল ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার বহরমপুর গ্রামের মনিরুজ্জামানের ছেলে। তার সহকারী সাগর আলী গাংনী উপজেলার কসবা গ্রামের বাসিন্দা এবং চালক ইমন একই উপজেলার বাশবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের সূত্র জানায়, তাফহিমুল গাংনী উপজেলায় অবস্থান করে 'হামিদুল ইসলাম প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র' নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে বিভিন্ন গ্রামে ক্যাম্প বসিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করছিলেন।
