ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদায় চিহ্নিত দুই ছাগল চোরকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। গতকাল শনিবার বেলা দেড়টার দিকে উপজেলার পুরাতন বাজারপাড়ার ইসমাইল হোসেনের ছেলে আকিব আহম্মেদের ছাগল চুরি করে ইজিবাইকে করে পালানোর সময় দামুড়হুদা সদরের ব্র্যাক মোড় সংলগ্ন মাঠে স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে। আটককৃতরা হলেন, উপজেলার বাঘাডাঙ্গা গ্রামের স্কুলপাড়ার মৃত শুকুর আলীর ছেলে আনারুল ইসলাম (২৫) ও চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার হাটকালুগঞ্জপাড়ার মৃত ওয়াজেদ আলী শেখের ছেলে পিনু শেখ (৩৮)। গণধোলাইয়ের পর স্থানীয় জনতা তাদের দামুড়হুদা মডেল থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এ ঘটনায় ছাগলের মালিক আকিব আহম্মেদ বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার বাদী আকিব আহম্মেদ এজাহারে উল্লেখ করেন, তিনি লেখাপড়ার পাশাপাশি বাড়িতে দুই-একটি ছাগল লালন-পালন করেন। ছাগলগুলো বেশিরভাগ সময় ছেড়ে দেওয়া থাকে এবং ঘুরেফিরে বাড়ির সামনেই অবস্থান করে। শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ির সামনে কেউ না থাকার সুযোগে ছাগল চোর দুজন ইজিবাইকযোগে বাড়ির সামনে থেকে তার দুটি ছাগল চুরি করে পালানোর চেষ্টা করে। তার মা খাদিজা খাতুন ঘটনাটি দেখে চোর চোর বলে চিৎকার করলে তিনিসহ আশপাশের লোকজন সেখানে জড়ো হয়। ছাগল চুরির বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা মোটরসাইকেলযোগে ছাগল চোরদের পিছু ধাওয়া করে। একপর্যায়ে দামুড়হুদা সদরের ব্র্যাক মোড়ে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় ছাগল চোরদের আটক করা হয়। এসময় তাদের নিকট থেকে চুরি যাওয়া ছাগলটি শনাক্ত ও উদ্ধার করা হয়। তখন উত্তেজিত জনগণ তাদের গণধোলাই দিয়ে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশে খববর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চোরদের হেফাজতে নেয় এবং চুরি যাওয়া ছাগল ও চুরি কাজে ব্যবহৃত ইজিবাইক জব্দ করে।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ছাগল চোরদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। রোববার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।’
