ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদায় রাস্তার পাশ থেকে সরকারি জমিতে থাকা দুটি শিশু গাছ কাটার অপরাধে এক যুবককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা ও ১০ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল রোববার বেলা একটার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই দণ্ডাদেশ দেন দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এইচ তাসফিকুর রহমান। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন- উপজেলার লোকনাথপুর গ্রামের মনিরুল ইসলাম ঝণ্টু শাহ’র ছেলে আল আমরাজ সিতল (৩০)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দপুর গ্রামের পাকা রাস্তার পাশে সরকারি জমিতে থাকা দুটি শিশু গাছ কাটা হয়। সংবাদ পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। শিশু গাছ দুটি লোকনাথপুর এলাকার কণিকা সিড-এর মালিক লিটন আল আমরাজ সিতলের কাছে বিক্রি করেন। লিটন দাবি করেন, গাছ দুটি তার জমির সীমানায় ছিল। পরে ইউনিয়ন ভূমি অফিস জমি মাপার পর জানা যায়, গাছ দুটি সরকারি জমিতে অবস্থিত।
এদিকে, সরকারি অনুমতি ছাড়াই গাছ কাটার অভিযোগে ‘ভূমি অপরাধ আইন ২০২৩’-এর ১১ ধারা অনুযায়ী সিতলকে দোষী সাব্যস্ত করে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। জরিমানার অর্থ আদায় করে অভিযুক্তকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত গাছ দুটি হাউলী ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শাহ জামালের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। গাছগুলোর মূল্য ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন জেলা সার্ভেয়ারের একটি দল, দামুড়হুদা মডেল থানার এসআই সাইফুল ইসলাম হাওলাদার ও পুলিশ ফোর্স। এসময় হাউলী ইউনিয়ন ভূমি অফিসার মিজানুর রহমান ও স্থানীয় গ্রাম পুলিশবৃন্দ। এ বিষয়ে কণিকা সিড-এর পরিচালক লিটন বলেন, ‘আমি জমি কিনলেও মাপা হয়নি। ভেবেছিলাম গাছটি আমার জমির ভেতরে, তাই বিক্রি করেছিলাম। পরে বুঝতে পারি সেটি সরকারি জমিতে ছিল।’
