ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গার মধুপুরে জমি বিরোধের জেরে মারামারিতে আহত তুরাপ এখন মৃত্যুশয্যায়। তারপরও বিরোধীরা তাকে অব্যাহতভাবে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়েছে পরিবার।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গা জামজামি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামে জমি নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আপন ভাই ও চাচাদের আঘাতে মারাত্মক জখম হন তুরাপ আলি ও তার ছেলে বাবুল আক্তার। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। মস্তিষ্কের আঘাতে সব সময় তুরাপের বমি হচ্ছে। এরপরও বিরোধীরা প্রতিনিয়ত তাকে মেরে ফেলার হুমকি-ধমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তুরাপ মণ্ডলের ছেলে মো. বাবলুর রহমান এ ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ বিবাদী করা হয়েছে, মধুপুর গ্রামের মৃত মিরু মণ্ডলের ছেলে মো. গোলাপ আলী (৭০), জুনাব আলী (৫০), জুনাব আলীর ছেলে মো. আশাদুল (২৫), ইমাদুল হোসেন (১৮), ছত্রপাড়া গ্রামের ডা. মো. সালাম (৪০), কুষ্টিয়া শরিফপুর গ্রামের মো. ইকলাস (৫০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ সকাল ৬টার দিকে বাবলুর রহমান ও তার বাবা তুরাপ আলি পশ্চিমের মাঠে নিজ নামীয় জমিতে সেচ দিচ্ছিলেন। এমন সময় ডা. আব্দুস সালাম ও ইকলাস উদ্দিনের উপস্থিতিতে এবং তাদের নির্দেশে গোলাপ আলী, জুনাব আলী, আশাদুল হক, ইমাদুল হক হত্যার উদ্দেশ্যে বাঁশের লাঠি, লোহার রড, রাম দা দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। বাবুল আক্তার বাবাকে বাঁচাতে গেলে তাকেও কোপ মারে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হারদী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের রাজশাহী মেডিকেলে রেফার্ড করেন। বাবুল আক্তার কিছুটা সুস্থ হলেও তার পিতা তুরাপ আলি বর্তমানে মৃত্যুশয্যায়।
