ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার প্রতিটি মসজিদে পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে এশার নামাজের পর দোয়া, মিলাদ মাহফিল, কুরআন তিলাওয়াত ও তাসবিহ-তাহলিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মুসল্লিদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। গত ২৭ মার্চ দিবাগত রাতে ছিল পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর। ইসলাম ধর্মে এই রাতকে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম হিসেবে গণ্য করা হয়। মুসল্লিরা রাতভর ইবাদত-বন্দেগিতে মগ্ন থাকেন।
আলমডাঙ্গা মডেল মসজিদের ইমাম মাওলানা মাসুদ কামাল বলেন, ‘রমজানের ২০ তারিখের পর যেকোনো বিজোড় রাতে শবে কদর হতে পারে। তবে ২৬ রমজানের রাতেই এটি আসে বলে অধিকাংশ আলেমের অভিমত।’ দারুস সালাম জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আকরাম হোসেন বলেন, ‘শবে কদর হলো মর্যাদার রাত বা ভাগ্যরজনী। পবিত্র কুরআনে ‘আল-কদর’ নামে একটি সুরা রয়েছে, যেখানে এ রাতের ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।’ ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা বিশ্বাস করেন, এ রাতে আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদের ক্ষমা করার জন্য প্রথম আসমানে অবস্থান করেন। এছাড়া, বিদেহী আত্মারা তাদের উত্তরাধিকারীদের নিকট থেকে দোয়া প্রত্যাশা করেন বলেও অনেক আলেমের অভিমত রয়েছে।
