মহেশপুর হাট-বাজারে সবজির মূল্যের ঊর্ধ্বগতি : অসহায় নিম্ন আয়ের মানুষ

আপলোড তারিখঃ 2017-10-10 ইং
মহেশপুর হাট-বাজারে সবজির মূল্যের ঊর্ধ্বগতি : অসহায় নিম্ন আয়ের মানুষ ছবির ক্যাপশন:
মহেশপুর প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার প্রতিটি হাটবাজারে অস্বাভাবিকহারে তরিতরকারীর মূল্য বৃদ্ধিতে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ। ফলে অনেকেই তরিতরকারীবিহীন খাবার খেতে বাধ্য হচ্ছে। গতকাল দুপুরের দিকে মহেশপুর উপজেলা খালিশপুর বাজার, শস্তার বাজার জিন্নানগর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের মূল ১৯০/২০০ টাকা, পটল ৩৫/৪০, ঝিঙ্গে ৩০/৩৫ পুইশাক ২০/২৫, গোল আলু ২০/২৫, মিষ্টি কুমড়া ৩০/৩৫, আমড়া ২০/২৫ ঢ্যাড়স ৩০/৩৫, কাঁচকলা ২০/২৫, কচু ৩০/৩৫, কচুর লতি ৩০/৩৫, করলা ৫০/৬০, পিয়াঁজ ৪০/৫০, রসুন ১০০/১৫০, মসুরির ডাল ১০০, লালশাক আঁটি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। নেপা মোড়ের ভ্যানচালক মতিয়ার রহমান জানান, বর্ষা মৌসুমে ভ্যানে ভাড়া কম হয়। কারণ, এই সময়ে যাত্রীরা ভ্যানে চড়তে চায়না। এদিকে, দিন পার হলে মালিকের হাতে টাকা তুলে দিতে হয় ভাড়ার টাকা। কোন দিন ১০০ থেকে ২০০ টাকার মত রোজগার করছি । কিন্তু কাঁচা বাজারে গলে তরিতরকারী কিনতে সব টাকা ফুরিয়ে যাচ্ছে। ফলে আমাদের মত গরীব মানুষগের হিমশিম থেকে হচ্ছে। মহেশপুর নেপার মোড় কাঁচা মাল বিক্রেতা মোশারফ জানান, বর্ষা মৌসুমে আমরা বেশি দামে তরিতরকারী ক্রয় করছি। সে কারণে আমরা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। তিনি আরও জানান, আমরা যখন যে দামে কিনতে পারছি, তখন সেই দামে বিক্রি করছি। নেপা বাজারে আরেক কাঁচামাল ব্যবসায়ী বুদো জানান, বর্ষা মৌসুমে কাঁচামালের ব্যাপক অংশই দেখা যায় যে বৃষ্টির পানিতে নিচু অঞ্চল তলিয়ে নষ্ট হয়ে যায়। সে কারণে এসময় বাজারে তরিতরকারীর পরিমাণ খুবই কম থাকে। শীতের মৌসুমী এলেই আবার তরিতরকারী বাজার গুলো ভরপুর হয়ে উঠে। তারা আরও জানালেন আবহাওয়া যদি কোন প্রকার বিরূপ না হয় তাহলে দ্রুতই বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করা যায়।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)