ছবির ক্যাপশন:
জীবননগর উপজেলার পুরাতন লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা আবু সিদ্দিকীর স্ত্রী আসমানী খাতুন জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় হাসাদাহ প্রেসক্লাবে এসব দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আসমানী খাতুন উল্লেখ করেন, গত ১১ মার্চ (মঙ্গলবার) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে একই গ্রামের ইউনুচের ছেলে সাঈদুল (৩৫), হানিফের ছেলে কবির আহম্মেদ (২৬), সাহেব আলীর ছেলে জোহেদ আলী (৪২) এবং আরও অজ্ঞাত কয়েকজন বাড়িতে ঢুকে তার ভাইয়ের ছেলেকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘরের নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর চালায়।
ভুক্তভোগী আসমানী খাতুন আরও জানান, তিনি ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। এসময় অভিযুক্তরা তার বাড়িতে প্রবেশ করে তার ভাইয়ের ছেলে সোহানকে (২৩) মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে এবং তাকে পিটমোড়া করে বেঁধে ফেলে। এরপর ১ নম্বর আসামি তার ঘরের আলমারিতে রাখা নগদ প্রায় দুই লাখ টাকা, ২ নম্বর আসামি দেড় ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন (যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ২৫ হাজার নিয়ে যায়। এছাড়া তারা দুটি স্বর্ণের বার মূল্য ১ লাখ টাকা, চারটি স্বর্ণের নাকফুলের মূল্য ৩০ হাজার টাকা লুট করে। সব মিলিয়ে প্রায় ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদ লুটপাট করে ঘরের আসবাবপত্র ভেঙে তছনছ করে পালিয়ে যায়। পরে চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন।
আসমানী খাতুন আরও জানান, ঘটনার পরপরই তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি সহায়তা চেয়ে চুয়াডাঙ্গা আমলি আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। তবে আসামিরা স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে এবং মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান এবং আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, আসামিরা মুক্ত অবস্থায় থাকলে তার জীবন হুমকির মুখে পড়বে।
