ছবির ক্যাপশন:
বিশিষ্ট সাংবাদিক ও দৈনিক কালের কণ্ঠের সহকারী সম্পাদক আলী হাবিবের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ঝিনাইদহের কৃতী সন্তান সাংবাদিক আলী হাবিব। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। গতকাল মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যুর খবর ঝিনাইদহে পৌঁছালে সাংবাদিকদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ কাজল ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লিটন গভীর শোক প্রকাশ করে আলী হাবিবের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
সন্ধ্যায় পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে অফিসে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে সহকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখেন। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। গতকালই রাতেই ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ কম্পাউন্ডে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মরদেহ ঝিনাইদহের গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। আলী হাবিব ১৯৬৪ সালে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার পার্বতীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন বিশিষ্ট ব্যাংকার আলফাজ উদ্দিন।
সাংবাদিকতা জীবনে তিনি দৈনিক জনকণ্ঠে সম্পাদকীয় সহকারী হিসেবে যোগ দেন ১৯৯৩ সালে। পরে ২০০১ সাল থেকে সহকারী সম্পাদক ও ফিচার বিভাগের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ‘রঙ্গভরা বঙ্গদেশ’ ও ‘ঝিলিমিলি’ ফিচার পাতার বিভাগীয় সম্পাদক ছিলেন। ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি দৈনিক কালের কণ্ঠে যোগ দেন। সেখানে তিনি উপ-সম্পাদকীয় বিভাগে সমসাময়িক বিষয়ে লেখালেখি করতেন। তার উল্লেখযোগ্য লেখা ‘এই ক্ষত সারাবে কে’ (৩১ জুলাই ২০২৪) এবং ‘তরুণরা বাংলাদেশকে শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্বে নিয়ে যেতে পারবে’ (৮ আগস্ট ২০২৪)।
এদিকে, তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এম সাইফুল মাবদু, এম রায়হান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিজাম জোয়ারদার বাবলু ও মাহমুদ হাসান টিপু। শোকবার্তায় তারা আলী হাবিবের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
