ছবির ক্যাপশন:
ঢাকা ইউনির্ভাসিটি স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব চুয়াডাঙ্গার (ডুসাক) ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের এই সংগঠনের ইফতারে যোগ দিয়েছিলেন বিশিষ্টজনেরা। এসময় তারা মেধাবী শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের মোজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটরিয়ামে এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ইফতার মাহফিলে প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। এসময় ঢাকার অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজের শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত হন।
ডুসাকের সভাপতি মোস্তফা ইকবাল হৃদয়ের সভাপতিত্বে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন ডুসাকের পৃষ্ঠপোষক, সাহিদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চুয়াডাঙ্গার কৃতী সন্তান সাহিদুজ্জামান টরিক। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার তার সবথেকে ভালোলাগার জায়গা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত চুয়াডাঙ্গার শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের চুয়াডাঙ্গার নেতৃত্ব কাঁধে তুলে নেওয়ার আহ্বান জানান। এছাড়া সর্বদা চুয়াডাঙ্গার যেকোনো ভালো কাজে পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ডুসাকের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহফুজ আহমেদের সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ডুসাকের উপদেষ্টা ও এমআর লজিস্টিকস বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এখলাছ উদ্দিন। তিনি বলেন, আগামী দিনে চুয়াডাঙ্গাকে একটি মডেল ও উন্নত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও চুয়াডাঙ্গা থেকে চারবারের নির্বাচিত সিআইপি মো. ওসমান গণি রতন, দৈনিক সকালের সময়ের সম্পাদক নুর হাকিম, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব মোল্লা ফারুক এহসান, জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী শফিক তুহিন, ডুসাকের উপদেষ্টা মো. মহসিন কবির, শাহজালাল ইসলামি ব্যাংক লিমিটেডের এসিটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাসুদুর রহমান, কাস্টমস কর্মকর্তা ও ডুসাকের উপদেষ্টা এস কে তরিকুল ইসলাম, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ও ডুসাকের উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর হোসেন তাজ, বাংলাদেশ ব্যাংকের এডি ইনজামাম হক ত্বহা, ডুসাকের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
ডুসাকের সভাপতি মোস্তফা ইকবাল হৃদয় বলেন, ‘ঢাবিতে অধ্যায়নরত চুয়াডাঙ্গা জেলার সব শিক্ষার্থী আজ একসাথে মিলিত হয়েছে। আমরা সবাই একে অপরের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিবছর মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়। এ বছর বৃত্তির সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। আমরা চাই, চুয়াডাঙ্গার মেধাবী শিক্ষার্থীরা জেলা এবং দেশের কল্যাণে কাজ করে যাবে। জেলার বিশিষ্টজনের সহযোগিতায় সংগঠনের গতিশীলতা সামনে আরও বৃদ্ধি পাবে।’
