ছবির ক্যাপশন:
ইংরেজি নববর্ষকে বরণ করতে দর্শনার বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দর্শনার বিভিন্ন স্থানে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সাউন্ড বক্স বাজিয়ে আনন্দ উৎসব পালন করে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন। এর মধ্যে দর্শনা পরাণপুর গ্রামের প্যারাক্লাবের আয়োজনে সকাল থেকে পরাণপুর স্কুল মাঠে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এ ক্রীড়া অনুষ্ঠানে শিশু, কিশোর ও বয়স্ক লোক অংশ নেয়।
এদিন দৌড়, ঝাপ, স্কিপিং বা দড়ি খেলা, বালিশ বদল, স্লো-সাইকেল রেস, হাড়িভাঙ্গাসহ ২৩টি খেলায় অংশ নেয় পরাণপুর গ্রামের মানুষ। গ্রামের শত শত মানুষের অংশ গ্রহণে স্কুল মাঠ উৎসবে পরিণত হয়। মাঠের চার পাশে নানা ধরনের খেলনা, খাবার পরশা সাজিয়ে বসে ২৫টি দোকান।

সন্ধ্যায় খেলায় অংশ গ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি দর্শনা পৌর বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ও প্রধান সমন্বয়ক হাবিুর রহমান বুলেট ও নাহারুল ইসলাম। পুরস্কার বিতরণ শেষে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রাশেদ আহম্মেদ ও মেনন। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন প্যারাক্লাবের এনামুল, কাজী সাহেদ, ওমর আলী, লালচাঁদ, ও আকাশ।
এছাড়া থার্টি ফাস্ট নাইটে দর্শনার বিভিন্ন বাড়ি আঙ্গিনায়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্কুল ও ফুটবল মাঠের পাশে, বিভিন্ন বয়সের বন্ধু ও যুবকেরা খেঁচুরী-মাংশ ও ভুড়ি ভোজের আয়োজন করতে দেখা যায়। চলে রাত ১ট পর্যন্ত।
সার্বিক নিরাপাত্তা বিষয় দর্শনা থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) শহীদ তীতুমির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার থানার পুলিশ সদস্যদের দিয়ে ৪টি টিম করে দিয়েছি। এরা থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে টহল থাকবে সারা রাত। নির্দেশনা কি আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উচ্চস্বরে মাইক বা সাউন্ড বক্স বাজানো যাবে না। শব্দ করে মোটরসাইকেল মহড়া দেওয়া যাবে না। আতশবাঁজি ফুটানো নিষেধ আছে। আমরা পুলিশ বাহিনী নিয়ে টহল দিয়ে এ গুলো তদারকি করবো সারা রাত ধরে।
