চুয়াডাঙ্গায় মিলিমা বিশ্বাসের অফিসে হামলা-ভাঙচুর

আপলোড তারিখঃ 2024-12-31 ইং
চুয়াডাঙ্গায় মিলিমা বিশ্বাসের অফিসে হামলা-ভাঙচুর ছবির ক্যাপশন:

চুয়াডাঙ্গায় মিলিমা ইসলাম বিশ্বাস মিলির অফিসে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল সোমবার বিকেলে একদল যুবক ওই হামলা চালায়। এতে কেউ হতাহত হয়নি। এ ঘটনায় মিলিমা ইসলাম বিশ্বাসের চাচা মুমিনুল ইসলাম মুকুল বাদী হয়ে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। জানা যায়, মিলিমা ইসলাম বিশ্বাস মিলি কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সদস্য এবং জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম শহিদুল ইসলাম বিশ্বাসের মেয়ে। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গতকাল বিকেলে একদল যুবক ওই হামলা চালায় বলে ধারণা করছে পুলিশ।

এ বিষয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, মিলিমা ইসলাম মিলি বিশ্বাসের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে হামলার খবর পেয়ে সাথে সাথে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সদর থানার পুলিশ। দুর্বৃত্তরা ৮ থেকে ৯টি চেয়ার ভাঙচুর করেছে। তাতে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। একই সাথে এ ঘটনায় মিলিমা ইসলামের চাচা বাদী হয়ে একটি জিডি করেছেন। বিষয়টি তদন্তপূর্বক পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

এদিকে, এ ঘটনায় চলছে আলোচনা-সমালোচনা। কেউ কেউ বলছেন, মিলিমা ইসলাম বিশ্বাসের অনুসারীরাই অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আবার কেউ কেউ বলছেন, একজন দল থেকে বহিষ্কৃত নেতা ওই অফিসে বসতেন। তাদের মধ্যেকার কোনো কোন্দলেই এই ঘটনা ঘটেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা বিএনপির সিনিয়র এক নেতা বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ লেনদেনের একটি বিষয় ছিল। ফেসবুকে দেখলাম, তারা একটি মিছিল বের করেছে। যেখানে বাজে বাজে স্লোগান দেয়া হয়েছে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। তবে এ ঘটনার সাথে জেলা বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমার মনে হয়, এটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের মান ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা।’

চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা ফরিদুল ইসলাম শিপলু বলেন, ‘আমি এই বিষয়টি নিয়ে কোনো খোঁজখবর নিতে পারিনি। আমি ওইদিকে যায়নি। কোনো কিছু বলতেও পারছি না।’ চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম পিটু বলেন, ‘এটি আমি পরে শুনলাম। তবে যারা ভেঙেছে, তারা তো সবাই ওই এলাকার। এবং তারা মিলির সাথেই রাজনীতি করে। যেটা শুনছি, লোকজন যখন কেউ ছিল না, তখন হয়ত চেয়ারগুলো ভেঙেছে।’
জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন বলেন, ‘সেটি তার ব্যক্তিগত অফিস, রাজনৈতিক অফিস নয়। যে কেউ ব্যক্তিগত অফিস করতেই পারে। এর মানে এটা নয়, আমি একটা ঘর খুলে বসলাম, আর সেটি রাজনৈতিক অফিস হয়ে যাবে। জেলা বিএনপির অফিস আছে, সেটি সবার জন্য উন্মুক্ত।’ তিনি আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি ঘটনাটি ঘটিয়েছে, সে তো মিলির সাথেই ছিল। যে ভাঙচুর করেছে, সে তোর তারই লোক ছিল। এক রাতের মধ্যে সে কোন পরিকল্পনা নিয়ে শরীফকে ফুল দিয়েছে, সেটা জানি না।’

এদিকে, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ওই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ‘যারা চেয়ারগুলো ভেঙেছে, তারা সকলেই এই অফিসেই বসতেন। হঠাৎ আজ কী হয়েছে, জানি না। তবে দেখলাম, তারা এসে চেয়ারগুলো ভাঙছিলো।’

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)