ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা জেলা ব্রান্ডিং কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক: দফায় দফায় জেলা ব্রান্ডিং লোগো চুড়ান্ত করা নিয়ে সভা সেমিনার আর ফেসবুকে জেলা প্রশাসকের দেওয়া পোস্টে জেলাবাসীর স্বতস্ফুর্ত মন্তব্য প্রকাশের এবার সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে শেষ বারের মত প্রকাশ করা জেলা ব্রান্ডিং লোগোতে কেরু এন্ড কোং লি. বাতিল করে ব্ল্যাক বেঙ্গল (কালো ছাগল) চিহ্নিত লোগো প্রকাশ করা হবে। সারাদেশের মধ্যে চুয়াডাঙ্গার খ্যাতী ছড়ানো পণ্যের মধ্যে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে চলেছে। যা চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ছাড়িয়ে রাজধানী ঢাকার রাজকীয় অনুষ্ঠানে স্থান পায়। বলা চলে রাজধানীতে এমন কোন অনুষ্ঠান নেই যেখানে চুয়াডাঙ্গার ছাগল আপ্যায়নে প্রাধান্য পায় না। তাই সর্বসম্মতিক্রমে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের মাধ্যমেই জেলা ব্রান্ডিং করা হবে। যা জেলার মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের সাথে সাথে স্বাবলম্বীও করে তুলবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা ব্রান্ডিং কমিটির সভায় এসব কথা তুলে ধরেন সকলে।
জেলা ব্রান্ডিং কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘পূর্বের লোগো চুড়ান্ত করার আগে তা ফেসবুকে সকলের জন্য প্রকাশ করা হলে নানা মন্তব্য আসতে থাকে। এরমধ্যে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, পান, ভুট্টা, দেশের প্রথম দর্শনা রেলস্টেশন, চুয়াডাঙ্গা ডাকঘর, প্রথম রাজধানী চুয়াডাঙ্গাকে ব্রান্ডিং লোগো করার ব্যাপারে মতামত আসে। সেই মন্তব্যের ভিত্তিতে এবং লোগো তৈরীর বিধান অনুযায়ী স্বচ্ছ, সাবলিল লোগো তৈরীর ক্ষেত্রে কেরু এন্ড কোং লিমিটেডের সুগার মিল বাদ দিয়ে জেলার সমাদৃত ও জনপ্রিয় ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল রাখা যায়। যা জেলার অর্থকরী ব্রান্ড বা পণ্য। এ পণ্যটি দেশব্যাপী লোগোর মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে পারলে চাহিদা বাড়বে। চাহিদা বাড়লে ছাগল পালন করে তা রপ্তানী করে আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে জেলাবাসীর।’ সভায় সকলের সম্মতিক্রমে চুড়ান্ত লোগোতে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল চিহ্নিত করে তা জেলা ব্রান্ডিং লোগো হিসেবে প্রকাশ করার মত প্রকাশ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুর রাজ্জাক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার ফরহাদ আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তরিকুল ইসলাম, প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান, পৌর প্যানেল মেয়র একরামুল হক মুক্তা, জেলা তথ্য অফিসার আমিনুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব সভাপতি আজাদ মালিতা, সাংবাদিক এড. মানিক আকবর, এড. রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।
