ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদার চিৎলাসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ। টানা তিন দিন চলবে এ উৎসব। উৎসবে আছে গ্রামীণ মেলা, নাগরদোলা ও শিশুদের জন্য ছোট ট্রেনে ভ্রমণ। সারারাত ধরে হবে যাত্রাপালা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। চিৎলা গ্রামের চিৎলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে এসব আয়োজন করা হয়েছে।
আয়োজনে অংশ নিতে ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট প্রভৃতি জেলা থেকে ছুটে এসেছেন বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র-ছাত্রীরা। বিদ্যালয়ের বর্তমান খুদে শিক্ষার্থীরাও এ উৎসবে যোগ দিয়েছে। বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে নেচে গেয়ে তারা মাতিয়ে রেখেছে বিদ্যালয় চত্বর। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া শতবর্ষপূর্তি উৎসব শেষ হবে শনিবার রাতে। পুরো তিন দিন চলবে নানা আয়োজন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে পতাকা উত্তোলন, বেলুন উড্ডয়ন ও শোভাযাত্রার মধ্যদিয়ে শুরু হয় উৎসব।
সকালে বেলুন উড়িয়ে তিন দিনব্যাপী আয়োজনের উদ্বোধন করবেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রিয়াজুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন আয়োজক কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট বজলুর রহমান ডাবলু, সম্পাদক প্রভাষক আবুল হাশেমসহ বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। রাতে যাত্রাপালা, শুক্রবার দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং শনিবার সমাপনী দিনে স্মৃতিচারণ, পুরস্কার বিতরণ ও ঢাকা থেকে আসা শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে শেষ হবে তিনদিনের বর্ণাঢ্য আয়োজন।
