খাজনা আদায়ের নামে নীরব অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ

আপলোড তারিখঃ 2017-09-28 ইং
খাজনা আদায়ের নামে নীরব অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ ছবির ক্যাপশন:
জীবননগরের হাসাদাহ ভুমি অফিস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিজস্ব প্রতিবেদক: জীবননগর উপজেলা হাসাদাহ ইউনিয়ন ভুমি অফিসের কর্মকর্তার বিরূদ্ধে নীরব অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। তিনি এলাকার সর্ব সাধারনের কাছ থেকে খাজনা আদায়ের রশিদ, জমির নামপত্বন, জমি খারিজ, জমির রেকর্ড উত্তোলনসহ জমিজমা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় যাবতীয় কাগজপত্রের জন্য স্থানীয় ভুমি অফিসে গেলে অফিস কর্মকর্তা রফিক উদ্দিন আহম্মেদ বিভিন্ন অযুহাতে এলাকার গরীব অসহায় মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করছেন। এমনি প্রমান মিলল গত সোমবার অত্র ইউনিয়ন কাটাপোল গ্রামের এক ভুক্তভোগি মৃত আজিবার মন্ডলের ছেলে জহুরুলের কাছ থেকে। জানা যায়, জীবননগর উপজেলা ৫নং হাসাদাহ ইউনিয়নে অবস্থিত ইউনিয়ন ভুমি অফিস এই অফিসের অধীনে ৩নং বাকা, ৫ নং হাসাদাহ ও ৬নং রায়পুর ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। তাই এই তিন ইউনিয়নের সর্ব সাধারন জনগন তাদের জমিজমা সংক্রান্ত যাবতীয় কাগজ পত্র এই অফিস থেকেই সংগ্রহ করে থাকেন। কিন্তুু এই অফিসের ভুমি কর্মকর্তা রফিক উদ্দিন আহম্মেদ সরল মানুষদেরকে ঠকিয়ে বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে মোটা অংকের টাকার বানিজ্য করছে, তার বিরূদ্ধে এমন অনেক অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে। তার সম্পর্কে খোজখবর নিয়ে জানা যায়, সে ইতিপুর্বে আলমডাঙ্গা, দামড়হুদাসহ যেখানে কর্মরত ছিলেন, সেখনেই তিনি এ ধরনের কাজ করেছেন, মানুষ ঠকিয়েছেন। তার কাছে যেই আসে তাকেই তিনি ‘পাঠার বলি’ ভাবেন। তার বিরূদ্ধে নানা অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল সরেজমিনে সাংবাদিকরা উপস্থিত হলে তার বিরুদ্ধে এলাকার মানুষের অভিযোগের সত্যতা মেলে কাটাপোল গ্রামের মৃত আজিবর মন্ডলের ছেলে জহুরুলের কাছ থেকে। জহুরুল জমির খাজনা দেওয়ার জন্য ভুমি অফিসে গেলে রফিক উদ্দিন আহম্মেদ তিনি তার আগের কৌশল অবলম্বন করেন। প্রথমে ২ হাজার টাকায় কন্টাক করেন, কিন্তু অসহায় জহুরুল তার সাথে অনেক দর কসাকসি করে শেষমেষ ১৫০০ টাকায় তিনি ঠিক করেন। কিšু‘ রফিক তাতেও খুশি হতে পারেননি জহুরুলকে ১১০৫ টাকার একটি খাজনার রশিদ ধরিয়ে দেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকরা উপস্থিত হলে গোপনে কৌশল অবলম্বন করে জহুরুলকে বাকি টাকা ফিরিয়ে দেন এবং বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য বলেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুমি কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি রফিক উদ্দিনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন। এলাকার মানুষের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বললে তারাও তার বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলে ধরেন। এদিকে উক্ত বিষয়টি নিয়ে রফিক আহম্মেদের কথা বললে তিনি বলেন যে, ভুমি অফিস সম্পর্কে মানুষের একটা খারাপ ধারনা আছে আমি দুই একশত টাকা নিয়ে থাকি বটে কিন্তুু তবে আমার বিরুদ্ধে যে সুমস্ত অভিযোগ তা সবিই সঠিক নয়। তাই এলাকার ভুক্তভোগি সাধারন মানুষের দাবি এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উক্ত বিষয়টি সহ তার বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি উর্ধতন বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইন গত ব্যবস্থা গ্রহন করা। তা নাহলে এদের মত হায়ানাদের নিকট জিম্মি হয়ে এলাকার খেটে খাওয়া গরীব অসহায় মানুষ সারাটা জীবন শোষন হতে থাকবে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)