ছবির ক্যাপশন:
থাইল্যান্ডের পিংপং জাতের লংগান চাষ করে সফলতা পেয়েছেন জীবননগর উপজেলার রায়পুর গ্রামের তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা সাদ্দাম হোসেন। জানা গেছে, ১ বছর আগে রোপনকৃত গাছে এখন থোকায় থোকায় ফল ধরেছে। গোলাকৃতির লিচু জাতীয় ফল এটি। খেতে সুস্বাদু ও সুমিষ্ট। মো. সাদ্দাম হোসেন বলেন, প্রতি কেজি লংগান ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। কেউ ১০০টি গাছ লাগালে খরচ বাদে ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা উপার্জন করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, লংগান বা আশফল গোলাকৃতির শাস সাদা, রসালো ও মিষ্টি। যারা শৌখিন চাষি এবং আর্থিকভাবে লাভবান হতে চান তারা এই ফল চাষ করে লাভবান হতে পারবেন বলে আমি আশাবাদী। এই লংগান চাষ করে অনেক যুবক তাদের বেকারত্ব দূর করতে পারবেন।
জীবননগর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আলমগীর হোসেন বলেন, উপজেলার রায়পুর গ্রামের তরুণ যুবক সাদ্দাম হোসেন অনেক দিন যাবৎ বিভিন্ন ধরনের ফলের চাষ করে আসছে। এবার তিনি দুই বিঘা জমিতে বিদেশি ফল লংগান গাছের কলমের চারা রোপণ করেছেন। এ বছর গাছে ফুল ও ফল এসেছে। বাংলাদেশ এগিয়ে নিতে কৃষির কোনো বিকল্প নেই। জীবননগর উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে নতুন নতুন চাষের জন্য কৃষকদের সাবক্ষনিক পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে এবং এটি অব্যাহত থাকবে।
