ছবির ক্যাপশন:
দর্শনার কেরুজ শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান না মাসুদুর রহমান, তা নিয়ে চলছে টানাপোড়েন। গতকাল সোমবার হাইকোর্টের একটি রায় আসায় এই টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। জানা গেছে, কেরুজ শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক থাকা সময়কালে মাসুদুর রহমান অবসর গ্রহণ করেন গত ১৭ অক্টোবর। এরপর কেরুজ ম্যানেজমেন্টের নির্বাচন পরিষদ এবং শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সদস্যরা মিলে ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমানকে শ্রমিক নীতিমালা অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ সেক্রেটারি পদে নির্বাচিত করেন। এরপর গত ১৯ অক্টোবর শপথও গ্রহণ করেন তিনি।
তবে গতকাল সোমবার হঠাৎ হাইকোর্টের একটি রায় আসে মাসুদুর রহমানের পক্ষে স্বপদে বহাল রাখার জন্য। এ রায়ের বিষয় মাসুদুর রহমান বলেন, ‘আমার চাকরি থাকা অবস্থায় আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত ইউনিয়ন সদস্যদের ১০% অনুকূলে সেক্রেটারি পদে বহাল রাখার জন্য হাইকোর্টে একটি আপিল করেছিলাম। সেই আপিলে রায় এসেছে আমার পক্ষে।’ তিনি আরও বলেন, যদি হাফিজুর রহমান সহনশীল হয়, তাহলে স্বপদে থাকতে পারব। এছাড়া তারও আপিল করার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে হাফিজুর রহমানের জন্য ভালো হবে।
এ বিষয়ে বর্তমান শ্রমিক ও কর্মচারীর নীতিমালা অনুযায়ী সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আসলে মাঠ গরম করার জন্য এসব করছেন মাসুদুর রহমান। এছাড়া গত ১৭ অক্টোবর তিনি অবসর নিয়ে মিলের নিকট তার দেনা ও পাওনা বুঝে নিয়ে গেছেন। আর আমিও ম্যানেজমেন্ট ও বর্তমান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সদস্যদের পূর্ণাঙ্গ মতামতের ভিত্তিতে শপথ নিয়ে দায়িত্ব পালন করছি। এটা কীভাবে সম্ভব। এছাড়া তার কর্মজীবনের মেয়াদকাল হওয়ার পর দেরিতে রায় আসছে।’
এ বিষয়ে বর্তমান সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ সবুজের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা এ বিষয় শ্রমিক ও কর্মচারী নীতিমালা দেখব। তারপর কী সিদ্ধান্ত হয়, দেখা যাবে। আগামীকাল মঙ্গলবার (আজ) বিস্তারিত বলতে পারব।’ তবে এ বিষয়ে জানতে ম্যানেজমেন্টের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
