ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গা বিডিএমএ উপজেলা শাখা ও পপুলার ফার্মার উদ্যোগে সায়েন্টিফিক সেমিনার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে জেএস টাওয়ার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা শাখার বিডিএমএর সভাপতি শেখ ওবায়দুল্লাহ। প্রধান অতিথি ছিলেন বিডিএমএ কেন্দ্র কমিটির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ডা. আব্দুল কুদ্দুস।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমান দেশের তৃণমূলে চিকিৎসা ব্যবস্থা পৌঁছে দিতে ১৯৭৬ সালে ডিপ্লোমা মেডিকেল স্কুল স্থাপন করে ৪ বছর মেয়াদী শিক্ষা শেষে ডিপ্লোমা ডাক্তার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে প্রতিটি হাসপাতালে এবং প্রতিটি ইউনিয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করে ১৯৮০ সালে আমাদের নিয়োগ দেন। সারা দেশে প্রত্যেক বিভাগে ও বৃহত্তর জেলাতে ডিপ্লোমা মেডিকেল কলেজ স্থাপন করে শিক্ষাক্রম চালু রাখেন। ১৯৭৬ সালে নেদারল্যান্ড সরকারের সহায়তায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় অনুমোদিত, রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ কর্তৃক অধিভুক্ত, বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএম এন্ড ডিসি) স্বীকৃত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস্) চালু হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ বছর আমরা চাকরি করছি, অনেকে অবসরে চলে গেছেন, কিন্তু সরকার সকল ডিপ্লোমাধারীদের দ্বিতীয় শ্রেণি দিলেও আমাদের আটকে রাখেন। এই বৈষম্য থেকে মুক্ত হতে হলে আমাদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সাথে আলোচনা করতে হবে এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা মহোদয়ের সাথে আলোচনার বিকল্প নেই।’
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিডিএমএ জেলা শাখার সভাপতি মনজুরুল ইসলাম বেলু, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, হারুন অর রশিদ পলাশ, ডাক্তার আবুল হাসনাত, রাশিদুল হাসান, শফিকুর রহমান, মোখলেসুর রহমান।
