ছবির ক্যাপশন:
মেহেরপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে আভ্যন্তরীণ আমন ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে। ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম চালু থাকবে। ধান-চাল সংগ্রহ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলা খাদ্যগুদাম চত্বরে মেহেরপুর জেলা খাদ্য বিভাগ উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এম এম ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) দেবদূত রায়, জেলা তথ্য অফিসার আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মেহেরপুর জেলা আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ, কৃষক মহিদুল ইসলাম ও খুশি রাইচ মিলের স্বত্ত্বাধিকারী আজিরুল ইসলাম।
কৃষক মহিদুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে খোলা বাজারেই প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ১৩০০ টাকা থেকে ১৪০০ টাকা দরে। সরকার নির্ধারিত ধানের মূল্য ১৩২০ টাকা। এ জন্য কৃষকেরা সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে আগ্রহ প্রকাশ করছে না। সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করলে একসাথে টাকা পাওয়া যায়। সে জন্য কিছু কৃষক সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করে বলে তিনি জানান। কীটনাশক, সারসহ ধান চাষে খরচ বেড়েছে। সরকারিভাবে ধানের দাম বাড়ানোর দাবি জানান তিনি।
খুশি রাইস মিলের স্বত্ত্বাধিকারী আজিজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বাজারে ধানের বাজার দর বেশি। সরকার নির্ধারিত দামে গুদামে চাল দিলে লাভ হয় না। তিনি চালের দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। এই মৌসুমে ৫০ শতাংশ থেকে ৬০ শতাংশ চাল দেয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এম এম ইকবাল হোসেন বলেন, জেলায় ৪৭ টাকা কেজি দরে ১ হাজার ৯৫ মেট্রিক টন চাল, ৩৩ টাকা কেজি দরে ১ হাজার ৯৪১ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের কার্যক্রম চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ বলেন, কৃষকের কথা বিবেচনা করে এই মৌসুমে ধান ১ টাকা এবং চালের মূল্য ২ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আমঝুপি খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা রেবেনা পারভিনসহ কৃষক ও চালকল মালিক সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
