কুড়ুলগাছিতে ডিমের বাজারে ঊর্ধ্বগতি, ক্রেতাদের ক্ষোভ<br>

আপলোড তারিখঃ 2024-10-08 ইং
কুড়ুলগাছিতে ডিমের বাজারে ঊর্ধ্বগতি, ক্রেতাদের ক্ষোভ<br> ছবির ক্যাপশন:

দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি বাজারে ডিমের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মুরগির বাচ্চা, খাবার, ওষুধ ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত গরমের ফলে মুরগির মৃত্যুহারের কারণে উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। এ কারণে বাজারে ডিমের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।কুড়ুলগাছি বাজারের মামুন স্টোরের স্বত্বাধিকারী আ. জব্বার বলেন, ‘আমাদের এখানে চাহিদা পূরণে বরাবরই অন্য জেলার ওপর নির্ভর করতে হয়। সাম্প্রতিক বন্যা ও তাপদাহের ফলে সরবরাহ কমে যাওয়ায় হঠাৎ করে ডিমের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়তে শুরু করেছে। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতিটি ডিম ১৩.৫ থেকে ১৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, আর খুচরা বাজারে সেই ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ১৬ টাকায়। অথচ এক মাস আগেও খুচরা বাজারে প্রতিটি ডিম বিক্রি হয়েছে ১১ থেকে ১২ টাকায়।’কুড়ুলগাছি বাজারে ডিম কিনতে আসা কৃষি শ্রমিক রমিজ উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের মতো গরিব মানুষের পক্ষে এত দাম দিয়ে ডিম কেনা খুবই কষ্টকর। আগে সপ্তাহে ২-৩ দিন ডিম কিনতে পারতাম, এখন দাম বাড়ার কারণে ডিম কিনতে পারছি না। পোলাও মাংস তো দূরের কথা, ডিমই ছিল আমাদের পুষ্টির ভরসা, তাও এখন কমে গেছে। সবকিছুর দাম বাড়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’ স্থানীয় সরকারি চাকরিজীবী মিজানুর রহমান জানান, ‘আমাদের বেতনে কোনো বৃদ্ধি নেই, অথচ বাজারে প্রতিদিনই কোনো না কোনো জিনিসের দাম বেড়ে যাচ্ছে। ডিমের দাম এত বেড়ে গেছে যে, আগের মতো নিয়মিত ডিম কেনা সম্ভব হচ্ছে না। বাচ্চাদের জন্য পুষ্টির বিষয়টি ভাবতে হচ্ছে, কিন্তু খরচ এত বেশি যে সব কিছু কেনা সম্ভব হচ্ছে না। ডিমের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারের দৃষ্টি দেয়া উচিত।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)