ছবির ক্যাপশন:
দর্শনায় ট্রেনে কাঁটা পড়ে মৃত্যু হওয়া নারীর অজ্ঞাত পরিচয়ে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল শুক্রবার চুয়াডাঙ্গা জান্নাতুল মওলা কবরস্থানে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। এরআগে গত বুধবার দিবাগত রাতে ট্রেনে কাটা পড়ে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দর্শনা রেলওয়ে ফাঁড়ি পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। দুপুরেই অজ্ঞাত পরিচয়ে ওই নারীর লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। দর্শনা হল্ট স্টেশন জিআরপি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আতাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে চুয়াডাঙ্গা আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কমিটির কোন কার্যক্রম পরিচালিত না হওয়ায় লাশটি দাফনে কিছুটা বেগ পেতে হয়। তবে আঞ্জুমান মফিদুল ইনলামের সদস্য ও অজ্ঞাত লাশবহনকারী আনোয়ার হোসেনের সহযোগিতায় লাশটি দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় পোড়াদহ রেলওয়ে থানার অপমৃত্যু মামলা নং-২৫, তারিখ: ২৬/০৯/২০২৪।’
আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, লাশটি দাফনের বিষয়ে জিআরপি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আতাউর রহমান প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে জান্নাতুল মওলা কবরস্থান কমিটির মাধ্যমে অজ্ঞাত পরিচয়ে লাশটির দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি জানান, ময়নাতদন্ত শেষে হলেও শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত লাশটি মর্গে রাখা ছিলো। পরিবারের কোন খোঁজ না পাওয়ায় মাগরীব নামাজের পর শালটির দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা জান্নাতুল মওলা কবরস্থান কমিটির সেক্রেটারি ইউনূস আলী বলেন, আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের সভাপতি টোটন জোয়ার্দ্দার অজ্ঞাত লাশ দাফনের ব্যবস্থা করতেন। তবে কমিটির কেউ না থাকায় আইনানূগ প্রক্রিয়াশেষে অজ্ঞাত পরিচয়েই দর্শনা জিআরপি পুলিশ ফাঁড়ির দাফনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকায় আমরা লাশটির জানাজা শেষে দাফন কার্য সম্পন্ন করি।
