ছবির ক্যাপশন:
জীবননগর কেন্দ্রীয় গোরস্থানের জমি পুনরুদ্ধার দাবি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার বেলা দুইটার দিকে জীবননগর-চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক মহাসড়কে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে জীবননগর কেন্দ্রীয় গোরস্তান কমিটির সভাপতি সাবেক পৌর চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল হক লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২৫ নম্বর জীবননগর মৌজায় আর.এস ৯৬৪ নম্বর খতিয়ানের ২৫৭৯ নম্বর দাগের মালিক ছিলেন কাজী মাহাবুব হোসেন, কাজী সাইফুজ্জামান (বাবলা), আসমা খাতুন ও আছিয়া খাতুন গং। এরমধ্যে আছিয়া খাতুনের নিকট থেকে বিগত ২৭/০৪/১৯৮৩ তারিখে ০.০৪০০ একর জমি মর্ঝিনা খাতুন ক্রয় করেন। পরে মর্জিনা খাতুনের নিকট থেকে আমরা গোরস্তান কমিটি বিগত ১৯/০২/১৯৮৫ তারিখে ০.০৪০০ একর জমি ক্রয় করি।
তিনি আরও বলেন, আসমা খাতুনের নিকট হতে আমরা গোরস্তান কমিটি বিগত ০৩/০৬/১৯৮৪ তারিখে ০.০৭০০ একর জমি ক্রয় করি। তবে বিগত সরকারের আমলে সাবেক এমপি আলী আজগর টগরের মৌখিক নির্দেশে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংসদ সদস্যের মনোনীত নেত্রীবৃন্দের সহায়তায় জীবননগর কেন্দ্রীয় গোরস্থানের জমি মো. আরিফুজ্জামান, মো. স্বপন হোসেন, মো. মনিরুজ্জামান, মো. কামরুজ্জামান, মোছা. নাজমা খাতুন, মোছা. বিলকিছ খাতুন, মোছা. নারগিস খাতুন, মোছা. নাছরিন খাতুন জোরপূর্বক দখল করেন। দখল প্রতিরোধের জন্য জীবননগর গোরস্তান কমিটি বাদী হয়ে জীবননগর সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানি ২৫২/২০১২ নম্বর মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় আদালত থেকে বিগত ২১/০২/২০১৩ তারিখে বিবাদীগণের বিরুদ্ধে নালিশি সম্পত্তির ওপর সর্বপ্রকার নির্মাণ কার্য করা থেকে স্থিতি অবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেয়। যা আদালতের আদেশ অবমাননা মামলা মিস-০৫/২০১৩ অদ্যবধি বিচারাধীন আছে। আমরা এই গোরস্তান কমিটির সদস্যসহ এলাকাবাসী ওই জমি পুনরুদ্ধার জন্য মানববন্ধনের আয়োজন করেছি। জমি উদ্ধারের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন জীবননগর কেন্দ্রীয় গোরস্তান কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সামসুল আলম, জীবননগর প্রেসক্লাবের সভাপতি এম আর বাবু, সাবেক কমিশনার হযরত আলী, আ. মজিদ, মুন্সী খোকন, মিনহাজ আলী, আবু হানিফ, নাসু মিয়া প্রমুখ।
