ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানাধীন ছোটশলুয়ায় শত্রুতামূলকভাবে বিষ প্রয়োগ করে চার বিঘা আয়তনের একটি পুকুরে মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ করেছেন পুকুর মালিক আলমগীর। এ ঘটনায় প্রায় ১৫-২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তার।
ছোটশলুয়া গ্রামের কুমিল্লাপাড়ার শুকুর আলী ছেলে আলমগীর হোসেন জানান, গ্রামের বিলপাড়ায় চার বিঘা আয়তনের একটি পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষ করেন তিনি। গত শুক্রবার রাতে কে বা কারা তার পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে পুকুরে গেলে পানিতে মরা মাছ ভাসতে দেখে হতভম্ব হয়ে পড়েন তিনি। খবর পেয়ে গতকাল শনিবার সকাল ১০টার সরেজমিনে পুকুরে গেলে মরা মাছ পুকুরে ভাসতে দেখতে পান এই প্রতিবেদক।
এসময় আলমগীর হোসেন অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক শত্রুতার কারণে তার পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে। তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিকেলে দর্শনা থানায় মামলা করবেন। এসময় তার কাছে অভিযুক্তদের নাম জিজ্ঞাসা করলে তিনি থানায় অভিযোগে বিস্তারিত জানাবেন বলেন।
একই দিন সন্ধ্যায় পুকুর মালিক আলমগীরকে কল দিয়ে মামলা করেছেন কি না জিজ্ঞাসা করলে তিনি হ্যাঁ সূচক উত্তর দেন। এসময় তার কাছে মামলার কপি চাইলে আলমগীর বলেন, ‘আসলে মামলা করা হয়নি। আমার যাদের বিরুদ্ধে সন্দেহ হয়েছে, তাদের নাম উল্লেখ করে জিডি করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
এদিকে, ছোটশলুয়া গ্রামে একাধিক মানুষের সঙ্গে কথা হলে তারা প্রতিবেদককে ভিন্ন ভিন্ন কথা বলেন। গ্রামবাসী সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, আসলেই কি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করা হয়েছে? নাকি রাজনৈতিক কারণে কাউকে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। গ্রামবাসী আরও বলেন, পুকুরে অতিরিক্ত মাত্রার কীটনাশক বা সার প্রয়োগের ফলেও এ ঘটনা ঘটতে পারে। তারা সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ছোটশলুয়া গ্রামের ইউপি সদস্য আহাদ আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আপনার কাছ থেকেই শুনলাম গ্রামের পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ মারা যাওয়ার কথা। আমাকে এ বিষয়ে কেউ কিছু বলেনি। আর গ্রামেও এ বিষয়ে কিছুই শুনিনি।’
