ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আব্দুর রাজ্জাকের ঈদগাহপাড়ার ভাড়াবাড়িতে
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. আব্দুর রাজ্জাকের বাসায় দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। সকলের অজান্তে অভিনব কৌশলে শয়ন কক্ষে গোপণীয় জায়গায় রাখা নগদ ৭০০ টাকা ও ৭ ভরি স্বর্ণালংকার, জামা-কাপড়সহ একঠি লাল রঙের লাগেজ চুরির খবর নিশ্চিত করেছেন এডিসি আব্দুর রাজ্জাক নিজেই। গত শনিবার বিকাল থেকে গতকাল রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে কোন এক সময় এ চুরির ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়। তিনি জানান, প্রতিদিনের ন্যায় রবিবার সকাল ৬টার দিকে বাড়ীর গৃহকর্মী এলে দরজা খুলে দিয়ে আমরা আবারও ঘুমিয়ে পড়ি। ৯টার দিকে গৃহকর্মী চলে গেলে ঘুম থেকে উঠে দেখি ঘরের জিনিসপত্র এলামেলো। ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ার খোলা; সেখানে রাখা ৭০০ টাকা এবং পাশের শয়ন কক্ষে আলমারীর উপরে রাখা লাল রঙের লাগেজটি নেই। ওই লাগেজের মধ্যে কিছু দামী পোশাক ও ৭ ভরি স্বর্ণের গহণা ছিলো।
খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকের বাসা শহরের ঈদগা পাড়া এলাকার প্রবাসী আব্দুল আজিজের জাহাজ বাড়িতে ছুটে যান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. তরিকুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি হেডকোয়াটার্স) আহসান হাবীব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. জসীম উদ্দীন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার ফরহাম আহমেদ, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর সুচিত্র রঞ্জন দাস, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফখরুল ইসলাম, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোজাম্মেল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা। পরিদর্শন শেষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম জানান, ‘প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা যাচ্ছে এই বাড়িতে যে চুরির ঘটনা ঘঠেছে এর সাথে বাহিরের কেউ জড়িত নাই। এই বাড়িতেই নিয়মিত যাতায়াত করে এমন কেউ সম্পৃক্ত থাকতে পারে।’ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোজাম্মেল হক বলেন, ‘অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের ভাড়া বাসায় চুরির খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরতে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। তবে এ ব্যাপারে কোন মামলা হয়নি এবং কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।’
