ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গার ডাউকি ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যান মানোয়ার হোসেন ওল্টুর বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়েছেন পরিষদের ১১ সদস্য। এর আগে পরিষদের ২ ও ৩ নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) স্নিগ্ধা দাসের নিকট ১ নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যানের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ এবং ২ ও ৩ নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যান পদত্যাগপত্র জমা দেন।
জানা গেছে, ২০২২ সালের ১৫ জুলাই মাসিক মিটিংয়ে ডাউকি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান গঠন করা হয়। ডাউকি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মানোয়ার হোসেন ওল্টুকে ১ নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যান, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লাবলুর রহমানকে ২ নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যান ও ১, ২, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য নাছিমা খাতুনকে ৩ নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয়।
এদিকে, গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার প্রধান পালিয়ে যাওয়ার পর গা-ঢাকা দেন ডাউকি ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম। অভিযোগ ওঠে দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মানোয়ার হোসেন ওল্টুসহ তিনজনের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য গত ২৭ আগস্ট ৯ জন ইউপি সদস্য ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হন। এসময় প্যানেল চেয়ারম্যান ২ ও ৩ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। এসময় মানোয়ার হোসেন ওল্টু তার লোকজন নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ ঘেরাও করে গোলযোগের সৃষ্টি করে। এ ঘটনার পর ১১ জন ইউপি সদস্য একত্র হয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন ওল্টুর বিরুদ্ধে অনাস্থা পত্রে স্বাক্ষর করেছেন।
গতকাল বিকেলে ১১ জন ইউপি সদস্যের পক্ষ থেকে বদর উদ্দিন মালিথা ও বুলবুল সিরাজী উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্নিগ্ধা দাসের নিকট প্যানেল চেয়ারম্যান মানোয়ার হোসেন ওল্টুর বিরুদ্ধে অনাস্থা এবং ২ ও ৩ নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যানের পদত্যাগপত্র জমা দেন।
