ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদার নতিপোতায় গ্রামে দুলাভাইয়ের জামাই কর্তৃক পাশবিক নির্যাতনের শিকার
নিজস্ব প্রতিবেদক: দামুড়হুদা উপজেলার নতিপোতা গ্রামে দুলাভাইয়ের জামাই কর্তৃক পাশবিক নির্যাতনের শিকার এতিম ও অসহায় কিশোরীর (১৫) ডাক্তারী পরিক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং নির্যাতক জামাই তুহিন এবং তার সহযোগী শুকুর আলীর বিরুদ্ধে ঐ কিশোরীর ভাই বাদী হয়ে দামুড়হুদা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আসামীদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
গত রবিবার দিনগত রাত অনুমান ৭টার দিকে দামুড়হুদার কোমরপুর গ্রামের মৃত নজিরের কিশোরী মেয়ে ভগিরতপুর বাজারে নতিপোতায় যাওয়ার জন্য ভ্যানের অপেক্ষা করছিল। এমন সময় কিশোলীর দুলাভাই নতিপোতা গ্রামের শহিদুল ইসলাম সদুর আপন চাচাতো ভাই সাইফুল ইসলাম বনুর ঘরজামাই তুহিন কিশোরীকে বাড়ী পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে। তুহিন কিশোরীকে নতিপোতা গ্রামের গাজি ফকিরের ছেলে শুকুর আলী পাখিভ্যানে উঠিয়ে নেয়। তারা তাকে নতিপোতায় না নিয়ে ফুসলিয়ে পার্শ্ববর্তি ছুটিপুর ও ভগিরতপুর গ্রামের মাঝখানের ভেদাগাড়ীর মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে তারা দুজনে কিশোরীর মুখ চেপে ধরে ইউনুসের পান বরজের পাশের এক আমবাগানে কিশোরীকে লম্পট তুহিন জোরপূর্বক পাশবিক নির্যাতনে লিপ্ত হয়। এসময় কিশোরীরর আত্মচিৎকারে ঐ মাঠের কৃষকরা এবং গ্রামবাসীরা কিশোরীর চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং কিশোরীকে উদ্ধারসহ পাশবিক নির্যাতক তুহিন ও তার সহযোগী শুকুর আলীকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। এরপর গ্রামবাসীরা কিশোরীকেসহ পাশবিক নির্যাতকদেরকে ভগিরতপুর ক্যাম্প পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। আটককৃতরা হলো দামুড়হদা উপজেলার নতিপোতা গ্রামের সাইফুল ইসলাম বনুর ঘরজামাই নাটোর জেলার লালপুর থানার বিলমারিয়া গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে তুহিন (৩২) ও তার সহযোগী দামুড়হুদা উপজেলার নতিপোতা গ্রামের গাজি ফকিরের ছেলে শুকুর আলী (৩০)। ঘটনার রাতেই কিশোরীরর বড় ভাই একই উপজেলার কোমরপুর গ্রামের আক্তারুল বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার নারী নির্যাতন দমন আইনে উল্লেখিত আটক তুহিন ও শুকুরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
