ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:
উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা স্বর্ণ শিল্প শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা শহরের শহিদ হাসান চত্বরে অবস্থিত কালু শেখ নিউ সুপার মার্কেটের ৩য় তলায় স্বর্ণ শিল্প শ্রমিক ইউনিয়নের নিজস্ব কার্যালয়ে এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে সন্ধ্যা ৭টায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচনে ৯টি পদের বিপরীতে প্রার্থী ছিলেন ২০ জন। এরমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় জয়ী হয়েছেন ৪ জন। সভাপতি পদে নিজাম উদ্দিন খান চেয়ার প্রতীকে ১৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সুভাষ কর্মকার ছাতা প্রতীকে পেয়েছেন ১৫১ ভোট। সহসভাপতি পদে প্রার্থী লড়ছেন ৫ জন। এরমধ্যে শহিদ আলী ফুটবল প্রতীকে ১৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. শাহিন মই প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ ভোট, হাসিবুল বিশ্বাস হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ৩৮ ভোট, মো. হাবিব কাপ পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩ ভোট, রমজান আলী গরুর গাড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৩ জন প্রার্থী। এরমধ্যে হুছাইন মোহাম্মদ আমির ১৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকির হোসেন গোলাপ ফুল প্রতীকে পেয়েছেন ১১৪ ভোট, অপর প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীক নিয়ে সনু সেখ পেয়েছেন ৬৮ ভোট। সহ-সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৩ জন। এরমধ্যে সনিরুলজ্জামান খুরু ঘোড়া প্রতীকে ১৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শ্রী প্রকাশ দেবনাথ মোবাইল প্রতীকে পেয়েছেন ৯৮ ভোট এবং অপর প্রার্থী মেহেদী হাসান বিশ্বাস টেলিভিশন প্রতীকে পেয়েছেন ৭৭ ভোট।
সাংগঠনিক পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাদের মধ্যে আরিফুল ইসলাম কলা প্রতীক নিয়ে ১২৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাইদুর রহমান জুয়েল খেজুর গাছ প্রতীকে পেয়েছেন ১১০ ভোট। একই পদে বাঘ প্রতীক নিয়ে রুবেল শেখ পেয়েছেন ৪৫টি ভোট। এই নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কোষাধক্ষ পদে আসাবুল হক সুজন, দপ্তর সম্পাদক পদে আবু বক্কর সিদ্দীক ও কার্যনির্বাহী সদস্য রিপন আলী নির্বাচিত হয়েছেন। ভোটের ফলাফল ঘোষণার শেষ পর্বে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা স্বর্ণ শিল্প শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভেনাস জুয়েলার্সের মালিক শেখ সাদি বলেন, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট সুষ্ঠু করার জন্য পুলিশ প্রশাসন সহযোগিতা করেছে। তিনি আরও বলেন, ভোটে কোনো কারচুপি হয়নি। সর্বমোট ভোট ছিল ৩৩৭ জন। এরমধ্যে পোল হয়েছে ৩২৮টি। বাতিল হয়েছে ৪টি ভোট। নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন অ্যাড. তালিম হোসেন ও অ্যাড. ইখলাস উদ্দিন।
