ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গা স্বয়ম্ভর পাবলিক লাইব্রেরির উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় স্বয়ম্ভর পাববলিক লাইব্রেরিতে এ পিঠা উৎসব ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। স্বয়ম্ভর পাবলিক লাইব্রেরির পরিচালক ও সরকারি কলেজের ক্রীড়া শিক্ষক সাইদ হিরনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা ডায়াবেটিস সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সহকারী শিক্ষক মানোয়ার হোসেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই পিঠা প্রদর্শনী হয়। এসময় পাঠকেরা বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নানা পিঠা-পুলির সাথে পরিচিত হন। এরমধ্যে দর্শকদের নজর কাড়ে ধামরাইয়ের ঐতিহ্যবাহী সংসার পিঠা বা মাংস পুলি, দুধ চিতই, জামাই পিঠা, পাকন পিঠা, চুশি পিঠা, ঝাল পুলি, নুডুলস পিঠা, গোলাপ পিঠা, নকশী পিঠা, কমলাসুন্দরী, তালের বড়া ও পায়েসসহ নানা পদের পিঠা-পুলি। অনুষ্ঠানে স্বয়ম্ভর লাইব্রেরির পাঠক ও শুভাকাক্সক্ষীরা অংশগ্রহণ করে। আলোচনা সভায় অতিথি থেকে বক্তব্য দেন কার্পাসডাঙ্গা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এনামুল হক ও ভোঁদুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকসহ অন্যান্য সুধীবৃন্দ।
সভাপতির বক্তব্যে সরকারি কলেজের ক্রীড়া শিক্ষক ও স্বয়ম্ভর পাবলিক লাইব্রেরির পরিচালক সাঈদ হিরন বলেন, ‘আলমডাঙ্গা স্বয়ম্ভর পাবলিক লাইব্রেরি এই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস তৈরির পাশাপাশি নানা ধরণের পিঠার সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। এটা আমাদের আলমডাঙ্গাবাসীর জন্য আনন্দ ও গর্বের।’
সহকারী শিক্ষক ও ছড়াকার মানোয়ার হোসেন বলেন, ‘পিঠা উৎসব আমাদেরই বাঙালিদের প্রাণের উৎসব। কালের বিবর্তণে আমরা অনেক পিঠা হারাতে বসেছি। পিঠা পরিচিতির পাশাপাশি বই পড়তে উৎসাহিত করার এই কার্যক্রমের জন্যে স্বয়ম্ভর লাইব্রেরির সভাপতি ও পরিচালনা পর্ষদ ও আয়োজকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’
ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘স্বয়ম্ভর পাবলিক লাইব্রেরির বই পড়ার আন্দোলনে আমরা সবসময় সাথে ছিলাম। তাই আজকের আয়োজনের খবর পেয়ে ছুটে এসেছি। ভবিষ্যতে এই অনুষ্ঠান আরও বৃহৎ পরিসরে হোক এই প্রত্যাশা করি।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোঁদুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জুয়েল রানা, আলমডাঙ্গা নারী উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশনের সদস্যসহ স্বয়ম্ভর লাইব্রেরির সেচ্ছাসেবক ও সাধারণ পাঠক। অনুষ্ঠান শেষে সকলে উচ্ছাস প্রকাশ করেন।
