ছবির ক্যাপশন:
ঝিনাইদহ অফিস:
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার গুড়পাড়া গ্রামের একটি পানবরজ থেকে সালমা খাতুন (৩৫) নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গলায় ফাঁস দিয়ে তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে পরিবার দাবি করছে। সালমা খাতুন একই গ্রামের তরিকুল ইসলামের স্ত্রী ও হরিণাকুণ্ডুু উপজেলার খলিষাকুন্ডু গ্রামের হায়দার আলীর মেয়ে।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্বামী তরিকুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় ইউপি সদস্য শাফাউর রহমান জানান, দুপুরে বাড়ির পাশের পানবরজে সালমার লাশটি পাওয়া যায়। তার গলায় গভীর কালো দাগ ও পাশেই একটি ঘাস মারা বিষের বোতল পড়েছিল। তার নাক ও মুখে ক্ষত ছিল। সালমাকে হত্যা করা হতে পারে বলে গ্রামবাসী ধারণা করছে।
সালমার মা হালিমা খাতুন ও বোন নাজমা বেগম অভিযোগ করেন, ‘জামাই তরিকুল আমার মেয়েকে খুন করেছে। এর আগে সালমাকে দা নিয়ে হত্যার জন্য তাড়া করেছিল।’ প্রায় সালমাকে নির্যাতন করা হতো বলে তার বোন নাজমা বেগম অভিযোগ করেন।
কোটচাঁদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুন্না বিশ^াস ও ওসি সৈয়দ আল মামুন খবর পেয়ে গতকাল শুক্রবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ওসি সৈয়দ আল মামুন জানান, এ ঘটনায় সালমার স্বামী তরিকুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। হত্যার উপযুক্ত তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া গেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।
