মেহেরপুরে গুলির ভয়ে ভারতীয় গরু আসা বন্ধ!:মেহেরপুর সীমান্তে গুলির ভয়ে আসছে না ভারতীয় গরু!

আপলোড তারিখঃ 2017-08-23 ইং
মেহেরপুরে গুলির ভয়ে ভারতীয় গরু আসা বন্ধ!:মেহেরপুর সীমান্তে গুলির ভয়ে আসছে না ভারতীয় গরু! ছবির ক্যাপশন:
মেহেরপুর অফিস: মেহেরপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের ভূখ-ে কয়েক হাজার গরু জড়ো করা হয়েছে, কিন্তু বিএসএফ ও বিজিবির কড়াকড়ির কারণে এসব গরু বাংলাদেশে আনা যাচ্ছে না। সীমান্তে গরু রাখালদের দেখামাত্র বিএসএফ গুলি করতে পারে এ আতঙ্কে এক প্রকার বন্ধ হয়ে গেছে মেহেরপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু আসা। বিজিবির দাবি, ভারত থেকে কেউ সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে গরু নিয়ে এলে আপত্তি থাকবে না তাদের। তবে কেউ গরু আনতে সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যেতে পারবে না। এজন্য বিজিবি সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। অপরদিকে, ভারত সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশি গরু রাখালদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তারা গরু রাখালদের দেখামাত্র গুলি চালাচ্ছে বলে গরু ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। একাধিক গরু ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি বছর বিএসএফের গুলিতে বিভিন্ন সীমান্তে রাখাল নিহত হওয়ার পর বিজিবি কঠোর অবস্থান নেয়। এতে মেহেরপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশি কোনো রাখাল গরু আনতে ভারতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। মেহেরপুরের গরু খামারি জিয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতি বছরই ভারতীয় গরুর কারণে আমরা ভালো দাম পাইনা। এমনকি কোনো কোনো বছর খরচও ওঠে না। লোকসান গুনতে হয়।’ মেহেরপুর ১১১ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে মেহেরপুর সদর, মুজিবনগর, দারিয়াপুর, কাথুলী, বামুন্দি সীমান্তের প্রায় ১৫টি পয়েন্ট দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় গরু-মহিষ আসত। পরে তা বিভিন্ন হাত ঘুরে কাস্টম ভ্যাট দিয়ে বৈধ হয়ে যেত। ভারতীয় গরু আনার জন্যে মেহেরপুর সদর উপজেলার উজুলপুর, গাংনী উপজেলার বামুন্দি, কাথুলী ও মুজিবনগর উপজেলার দারিয়াপুর এলাকায় চারটি করিডোর রয়েছে। স্থানীয় শুল্ক স্টেশনের আওতায় সরকার এসব করিডোরের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় করে থাকে। মেহেরপুর শুল্ক স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, আগস্ট মাসে জেলার চারটি করিডোরের মাধ্যমে মাত্র ৮টি গরু এসেছে। এর বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৪ হাজার ৫০০ টাকা। আগে যেখানে মেহেরপুর সীমান্ত দিয়েই প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০টি গরু বাংলাদেশে আসত। চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর মুহাম্মদ লুৎফুল কবীর জানান, ভারত থেকে যদি কেউ গরু বাংলাদেশে নিয়ে আসে সেক্ষেত্রে বিজিবি সহনশীলতা দেখাবে। তবে বাংলাদেশের কেউ ভারতে গরু আনতে গিয়ে ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিজিবি চায় না সীমান্তে গরু পাচার নিয়ে অনাকাঙ্খিত কোনো ঘটনা ঘটুক। কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ১ সেপ্টেম্বর থেকে মেহেরপুরের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে কম পরিমাণে হলেও প্রতিদিন গরু আসছে। কোরবানির ঈদ পর্যন্ত গরু যাতে আসে, সেজন্য উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা চেষ্টা করছেন। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে এরই মধ্যে মেহেরপুর সীমান্তের বিপরীতে বেশ কিছু গরু জড়ো করা হয়েছে। সুযোগ বুঝে যে কোনো সময় এ সব ভারতীয় গরু বাংলাদেশ অভ্যন্তরে নিয়ে আসা হবে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)