ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে মতবিনিময় সভায় এএসপি কলিমুল্লাহ
বাল্যবিবাহ ও আত্মহত্যা প্রবণতা রোধে সমন্বিত প্রচেষ্ট জরুরী
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষাণার্থীদের সাথে ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, জঙ্গিবাদ, মাদক ও আত্মহত্যা প্রবণতা রোধে আমাদের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় টিটিসি হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) কে.এম মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা ও জীবননগর সার্কেল) মোহা. কলিমুল্লাহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাল্যবিবাহ অশান্তি ছাড়া কিছুই দেয় না। যুব সমাজ দেশের মূল চালিকা শক্তি। যুব সমাজকে ধ্বংস করতে ষড়যন্ত্রকারিরা মাদক সেবন করিয়ে বিপথে নিতে চায়। নিজেদেরকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এসব থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখতে হবে। লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে হবে। নিজদেরকে মানুষের মতো মানুষ হতে হবে এবং সমাজ ও দেশের উপকারে আসতে হবে। প্রচলিত আইনে ২১ বছরের নীচে কোন ছেলে এবং ১৮ বছরের নীচে কোন মেয়ে বিয়ে করতে পারবেনা। ১৮ বছরের নীচে সবাই শিশু। আর বাল্য বিবাহের কারণে নারীদের ৯০ শতাংশ রোগের কারণ। ফলে নারীরা নির্যাতনের শিকার না হয় সেদিকে অভিভাবকসহ সকলকে খেয়াল রাখতে হবে। বাল্যবিবাহ ও আত্মহত্যা প্রবণতা রোধে সমন্বিত প্রচেষ্টা জরুরী।
প্রধান অতিথি বলেন, চীন-জাপানের মানুষেরা আগে ছোট আকারে হতো। কারণ তারা কম বয়সে বিয়ে করতো। এখন বেশি বয়সে বিয়ের কারণে জাপানে এবং চীনে লম্বা মানুষ দেখতে পাওয়া যায়। অকালে প্রেম ও বিয়ের কারণে আত্মহত্যার সংখ্যা বেড়ে গেছে। ছেলেদের থেকে মেয়েরা অনেক ভালো। শতকরা ৫০ ভাগ ছেলেরা গাঁজায় আসক্ত। একটি মেয়ে ইচ্ছা করলে বাবা-মাকে সেবা করতে পারে, কিন্ত ছেলেরা পারেনা। মেয়েরা বিভিন্ন চাকরী করে বাবা-মায়ের কাছে টাকা পাঠালেও ছেলেরা টাকা পাঠাইনা।
চুয়াডাঙ্গা বাল্যবিয়ের ক্ষেত্রে ২য় অবস্থানে রয়েছে। বাল্যবিয়ের কারণে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি। ইসলামকে ক্ষতি করার জন্য অন্য ধর্মের লোকেরা মুসলমানদেরকে জঙ্গি বানিয়ে জঙ্গিবাদের উৎপত্তি করে দিয়েছে। মোনাফেকদের স্থান হবে জাহান্নামের সর্বনীচে। সেজন্য ইসলামী শরিয়া অনুযায়ি চলতে পারি তাহলে জঙ্গিবাদ থেকে মুক্তি পেতে পারি।
আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষাণার্থীদের সাথে ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, জঙ্গিবাদ, মাদক ও আত্মহত্যা প্রবণতা রোধে আমাদের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় টিটিসি হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) কে.এম মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা ও জীবননগর সার্কেল) মোহা. কলিমুল্লাহ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাল্যবিবাহ অশান্তি ছাড়া কিছুই দেয় না। যুব সমাজ দেশের মূল চালিকা শক্তি। যুব সমাজকে ধ্বংস করতে ষড়যন্ত্রকারিরা মাদক সেবন করিয়ে বিপথে নিতে চায়। নিজেদেরকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এসব থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখতে হবে। লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে হবে। নিজদেরকে মানুষের মতো মানুষ হতে হবে এবং সমাজ ও দেশের উপকারে আসতে হবে। প্রচলিত আইনে ২১ বছরের নীচে কোন ছেলে এবং ১৮ বছরের নীচে কোন মেয়ে বিয়ে করতে পারবেনা। ১৮ বছরের নীচে সবাই শিশু। আর বাল্য বিবাহের কারণে নারীদের ৯০ শতাংশ রোগের কারণ। ফলে নারীরা নির্যাতনের শিকার না হয় সেদিকে অভিভাবকসহ সকলকে খেয়াল রাখতে হবে। বাল্যবিবাহ ও আত্মহত্যা প্রবণতা রোধে সমন্বিত প্রচেষ্টা জরুরী।
প্রধান অতিথি বলেন, চীন-জাপানের মানুষেরা আগে ছোট আকারে হতো। কারণ তারা কম বয়সে বিয়ে করতো। এখন বেশি বয়সে বিয়ের কারণে জাপানে এবং চীনে লম্বা মানুষ দেখতে পাওয়া যায়। অকালে প্রেম ও বিয়ের কারণে আত্মহত্যার সংখ্যা বেড়ে গেছে। ছেলেদের থেকে মেয়েরা অনেক ভালো। শতকরা ৫০ ভাগ ছেলেরা গাঁজায় আসক্ত। একটি মেয়ে ইচ্ছা করলে বাবা-মাকে সেবা করতে পারে, কিন্ত ছেলেরা পারেনা। মেয়েরা বিভিন্ন চাকরী করে বাবা-মায়ের কাছে টাকা পাঠালেও ছেলেরা টাকা পাঠাইনা।
চুয়াডাঙ্গা বাল্যবিয়ের ক্ষেত্রে ২য় অবস্থানে রয়েছে। বাল্যবিয়ের কারণে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি। ইসলামকে ক্ষতি করার জন্য অন্য ধর্মের লোকেরা মুসলমানদেরকে জঙ্গি বানিয়ে জঙ্গিবাদের উৎপত্তি করে দিয়েছে। মোনাফেকদের স্থান হবে জাহান্নামের সর্বনীচে। সেজন্য ইসলামী শরিয়া অনুযায়ি চলতে পারি তাহলে জঙ্গিবাদ থেকে মুক্তি পেতে পারি।
আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
