ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে আম সংগ্রহ শুরু হয়েছে। আমে বিষাক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার না করা এবং অসময়ে অপরিপক্ক আম সংগ্রহ বন্ধ রাখতে ১৩ মে পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছিল চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন। সে অনুযায়ী গতকাল রোববার সকাল ৯টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সরকারি মহিলা কলেজের পিছনে মহলদার আমবাগানে আম সংগ্রহের মাধ্যমে এই আম সংগ্রহ মৌসুমের উদ্বোধন করা হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান। অতিথি ছিলেন জেলা মার্কেটিং অফিসার সহিদুল ইসলাম, বিভিন্ন আম বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা।
এর পূর্বে জেলার বিভিন্ন আমবাগান মালিক, ব্যবসায়ী ও কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গায় জাত অনুযায়ী আম সংগ্রহের ভিন্ন ভিন্ন তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এ মৌসুমে জেলায় গতকাল থেকে আটি আম, গুটি আম ও বোম্বাই জাতের আম সংগ্রহ শুরু হয়। এরপর ২২ মে থেকে হিমসাগর, ২৫ মে থেকে ল্যাংড়া, ৫ জুন থেকে আম্রপালি (বারি আম-৩), ২১ জুন থেকে ফজলী, ১ জুলাই থেকে আশ্বিনা (বারি আম-৪) সংগ্রহ শুরু হবে। চুয়াডাঙ্গা জেলার তাপমাত্রা ও বর্তমান আবহাওয়া বিবেচনা করে আম ভাঙার তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এ জেলায় এ বছর আমের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২ হাজার ১৯১ হেক্টর জমিতে এবং আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৪৬৫ হেক্টর জমিতে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৭৪ হেক্টর বেশি আবাদ হয়েছে। এসকল জমিতে আম উৎপাদন হবে ৩৪ হাজার ৫১০ মেট্রিক টন। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১৬০ কোটি টাকা।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ‘নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আজ (১৪ মে) থেকে আটি আম, গুটি আম ও বোম্বাই জাতের আম সংগ্রহের মাধ্যমে আম সংগ্রহ শুরু হলো। জাত অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করে দেওয়া আছে, সে অনুযায়ী আম সংগ্রহ করতে হবে। কোনো ব্যবসায়ী বা আমচাষী যদি আমে বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশায়, অপরিপক্ব আম বাজারজাতকরণ করে অথবা যেকোনো অসাধু উপায় অবলম্বন করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ‘নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আজ (১৪ মে) থেকে আটি আম, গুটি আম ও বোম্বাই জাতের আম সংগ্রহের মাধ্যমে আম সংগ্রহ শুরু হলো। জাত অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করে দেওয়া আছে, সে অনুযায়ী আম সংগ্রহ করতে হবে। কোনো ব্যবসায়ী বা আমচাষী যদি আমে বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশায়, অপরিপক্ব আম বাজারজাতকরণ করে অথবা যেকোনো অসাধু উপায় অবলম্বন করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
