ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে এক ভুয়া চিকিৎসককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে আলমডাঙ্গার মুন্সিগঞ্জ মদন বাবুর মোড়ে সোহাগ ফার্মা নামের প্রতিষ্ঠান তদারকিকালে ফার্মেসি মালিক মো. সেলিমের ভুয়া ডাক্তারির প্রমাণ পায় ভোক্তা অধিকার।
জানা গেছে, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গার সহকারী পরিচালক সজল আহমেদ আলমডাঙ্গার মুন্সিগঞ্জ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। অভিযান বিভিন্ন ওষুধ ফার্মেসি তদারকিকালে ওই এলাকার মদনবাবুর মোড়ে অবস্থিত মেসার্স সোহাগ ফার্মা নামক প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. সেলিমের ভুয়া ডাক্তারির প্রমাণ পাওয়া যায়।
তার কোনো ডাক্তারির সনদ বা অনুমতি না থাকলেও মাত্র সাতদিনের এসএমসি ব্লুস্টার প্রশিক্ষণে তিনি শিশু বিশেষজ্ঞ হয়ে ৮ দিন বয়সী শিশু থেকে শুরু করে ছোট-বড় সবারই চিকিৎসা ও প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিলেন। বাঁচ্চাদের দিচ্ছেন বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ও অন্যান্য ওষুধ। তাঁর চিকিৎসার ন্যূনতম কোনো ডিগ্রিও নেই। এই অপরাধে মো. সেলিমকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন- ২০০৯ এর ৫৩ ধারায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও একই অভিযানে মেসার্স সেবা ক্লিনিকের মালিক মো. আব্দুর রাজ্জাককে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ র্যাকে সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের অপরাধে ৫১ ধারায় ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গার সহকারী পরিচালক সজল আহমেদ জানান, চিকিৎসার ন্যূনতম কোনো ডিগ্রিও নেই সেলিমের। অথচ এলাকার লোকজনের কাছে তিনি শিশু বিশেষজ্ঞ। অ্যান্টিবায়োটিক পর্যন্ত লিখছেন। তাঁকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এবং ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন আলমডাঙ্গার মুন্সিগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্পের একটি টিম। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
