দীর্ঘ ৭ বছর পর চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন আজ, তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস

আপলোড তারিখঃ 2022-12-12 ইং
দীর্ঘ ৭ বছর পর চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন আজ, তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ ৭ বছর আজ ১২ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইতঃমধ্যে শেষ হয়েছে সকল প্রকার প্রস্তুতি। পদপ্রত্যাশীদের ও নেতা-কর্মীদের বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন ও তোরণে তোরণে ছেয়ে গেছে জেলা শহর ও আশপাশের এলাকা। সম্মেলনের স্থান টাউন ফুটবল মাঠে প্যান্ডেলসহ তৈরি করা হয়েছে নৌকার আদলে বিশালাকার মঞ্চ। নেতা-কর্মীদের ভাষ্য, সম্মেলনে কাউন্সিলরদের মতামত ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে যোগ্য নেতৃত্ব চূড়ান্ত করবেন। সম্মেলন উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ। ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম প্রধান বক্তা এবং খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক এমপি, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আমিরুল আলম মিলন এমপি, পারভীন জামান কল্পনা, গ্লোরিয়া সরকার ঝর্ণা এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি। সঞ্চালনা ও পরিচালনায় থাকবেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাদুল ইসলাম আজাদ। সরেজমিনে সম্মেলনস্থল চুয়াডাঙ্গা টাউন ফুটবল মাঠ এবং শহরসহ আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সম্মেলন উপলক্ষে মাঠজুড়ে নৌকার আদলে বিশাল প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। বসার জন্য দেওয়া হয়েছে পর্যাপ্ত চেয়ার। সাংবাদিকদের জন্যও নির্ধারণ করা হয়েছে আলাদা স্থান। জেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, এবারে মঞ্চে জেলা কমিটির ৬৯ জন নেতা ও কেন্দ্রীয় নেতা ছাড়া আর কেউ থাকবেন না, উঠতেও পারবেন না। সাংবাদিকদের জন্য রাখা নির্ধারিত স্থানেও অন্য কারো উপস্থিত না হওয়ার জন্য জানানো হয়েছে। সম্মেলনের প্রস্তুতি হিসেবে সম্মেলনের স্থলসহ শহরের বিভিন্ন সড়কে তোরণ, ফেস্টুন আর ব্যানারে ছেয়ে গেছে। কোনো কোনো সড়কে নেতাদের অভিনন্দন জানিয়ে ফেস্টুন-ব্যানার টাঙিয়েছেন পদপ্রত্যাশী নেতারা। সম্মেলনের আমন্ত্রিত অতিথি কেন্দ্রীয় নেতাদের অভিনন্দন জানিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ও তাঁদের কর্মী-সমর্থকেরা এসব তোরণ, ফেস্টুন ও ব্যানার টাঙিয়ে রেখেছেন। দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে বর্তমান সভাপতি চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এবং সহসভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুল হক বিশ্বাসের নাম আলোচনায় আছে। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদের পাশাপাশি বর্তমান সহসভাপতি চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগার টগর, সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান এবং জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডা. মাহবুব হোসেন মেহেদীর নাম শোনা যাচ্ছে। তবে সভাপতি পদে তেমন কারোর তোরণ, ফেস্টুন ও ব্যানার চোখে পড়েনি। শোনা যাচ্ছে, চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের প্রাণপুরুষ ও বর্তমান সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপিই আবারও হচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। শুধু চুয়াডাঙ্গা জেলা নয়, বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি এ অঞ্চলের সবার অভিভাবক ও ভালোবাসার মানুষ হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানও দল-মত নির্বিশেষে তাঁকে এক অন্যন্য উঁচ্চতায় এ অঞ্চলের মানুষের কাছে আসীন করেছে। এদিকে, জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সহসভাপতি আশাদুল হক বিশ্বাসের নাম তাঁর সমর্থকরা সভাপতি হিসেবে প্রস্তাব করতে পারে। চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান মনজু, চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সহসভাপতি খুস্তার জামিল ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য বাবু দিলীপ কুমার আগরওয়ালা এবারের সম্মেলনে চমক আনতে পারেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তেমনটাই আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে এই তিন নেতা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক হতে চান না। এদিকে, সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুন এমপিকে আবারো সবাই একই পদে দেখতে চাইলেও সাধারণ সম্পাদক পদে কেউ কেউ চাচ্ছেন পরিবর্তন। সাধারণ সম্পাদক পদে জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাদুল ইসলাম আজাদসহ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজী আলী আজগার টগর, জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নানের নাম বেশ জোরেশোরেই আলোচনায় রয়েছে। এছাড়াও শহরজুড়ে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জে অলক চৌধুরী এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপুর পোস্টারও ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে তারা আদৌ কি পদপ্রত্যাশী, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপু ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কৃষক লীগ নেতা গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দার, অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম শফিকে আসন্ন সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন করার জন্য তাঁদের পক্ষের নেতা-কর্মীরা সরব রয়েছেন। জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন বলেন, অতিথি চূড়ান্ত করার পাশাপাশি চারটি উপজেলা ও একটি সাংগঠনিক ইউনিটের (দর্শনা থানা) ২১৮ জন কাউন্সিলর এবং ৫০ হাজার ডেলিগেট ও গণমাধ্যমকর্মীদের আমন্ত্রণসহ সম্মেলনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ১০ হাজারের অধিক আওয়ামী লীগের প্রবীণ ও ত্যাগী নেতাদের। পার্শ্ববর্তী জেলা মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া জেলার সভাপতি-সম্পাদকদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ১৪ দলীয় জোটসহ স্বাধীনতার স্বপক্ষের সকল দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ১২ ডিসেম্বরের চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হবে এ যাবৎকালের সব চাইতে বড় জনসমাগমপূর্ণ, উৎসবমুখর, আনন্দঘন এবং জমকালো। জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডা. মাহবুব হোসেন মেহেদী বলেন, ‘নেতা-কর্মীরা আমাকে চাই। দলের জন্য যোগ্য, শিক্ষিত নেতা তাঁদের চাওয়া। আমি আশাবাদী দল আমাকে মূল্যায়ন করবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত দিবেন, সেটাই আমরা মেনে নেব। দলকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাব।’ চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির সহসভাপতি আসাদুল হক বিশ্বাস বলেন, ‘তিনটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি নির্বাচিত হয়েছি। দলীয় নেতা-কর্মীরা চায় আমি সভাপতি হই। দলের হয়ে কাজ করছি, করে যাব। দল যেভাবে মূল্যায়ন করবে, সেটাই মেনে নেব।’ সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান বলেন, ‘নেতা-কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি সাংগঠনিক প্রয়োজনেই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জেলা শহরের বাসিন্দা হোক। তাঁদের মতামতকে শ্রদ্ধা রেখেই সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী। আমার বিশ্বাস সংশ্লিষ্টরা যথাযথ মূল্যায়ন করবেন। যদি নেতৃত্বে আসি, তবে আগের মতোই দলকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। আর যদি না আসতে পারি, তবে নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করে যাব।’ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য ও আসন্ন সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগে গুরুত্বপূর্ণ পদপ্রত্যাশী বাবু দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ যে কমিটি দেবেন এবং যাদের নেতা বানাবেন, তাদের পেছনে আমরা কাজ করব, যাতে প্রধানমন্ত্রীর হাত আরও শক্তিশালী হয়। নেতৃত্বের ক্ষেত্রে দ্বন্দ্ব থাকবে, এটা স্বাভাবিক। তবে আমাদের চেষ্টা থাকবে সব বিভেদ ভুলে দলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং দলের দুর্দিনে দলকে আরো সুসংগঠিত রাখা।’ চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাজী আলী আজগার টগর বলেন, ‘তৃণমূলকে শক্তিশালী করার জন্যে কাউন্সিল হচ্ছে। আমরা একটা ভালো কমিটি চাই। সামনে আন্দোলন-সংগ্রাম ফেস করে জাতির পিতার সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা সবই জানেন। তিনি যেটা ভালো মনে করবেন, তা আমাদের দলের জন্য অবশ্যই মঙ্গল হবে।’ চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন নিজে সম্মেলনের সকল প্রস্তুতি তদারকি করছেন। টাউন ফুটবল মাঠ পরিদর্শনকালে এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার সাংবাদিকদের বলেন, ‘যারা আওয়ামী লীগের জন্য নিবেদিতপ্রাণ, যারা ত্যাগী নেতা, তারাই ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে পোর্টফোলিও পদে আসীন হবেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘অভিজ্ঞ, ত্যাগী ও জনদরদী নেতা-কর্মীদের সাথে তরুণ ও উদীয়মান নেতা-কর্মীরাও নেতৃত্বে থাকবেন বলে আমি আশা করি। আমার বিশ্বাস, কেন্দ্রীয় নেতারাও তেমনটি বিশ্বাস করবেন।’ উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২ ডিসেম্বর টাউন ফুটবল মাঠে জেলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলে সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দারকে সভাপতি ও আজাদুল ইসলাম আজাদকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। পরে ২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিল স্থানীয় একটি হোটেলে জেলা আওয়ামী লীগের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)