সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী, ত্যাগী ও যোগ্যরা কী মূল্যায়িত হবে?

আপলোড তারিখঃ 2022-12-09 ইং
সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী, ত্যাগী ও যোগ্যরা কী মূল্যায়িত হবে? ছবির ক্যাপশন:
এমপি টগর-আজাদুল ইসলাম-মুন্সী আলমগীর হান্নান ও টোটন জোয়ার্দ্দার সেক্রেটারি পদের দৌড়ে এগিয়ে : বাবু দিলীপ কুমার, অ্যাড. মালেক ও ডা. মাহবুব মেহেদীও পেতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ পদ বিশেষ প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল ২০১৫ সালের ২ ডিসেম্বর। ২০১৯ সালে এ কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও এরপর নতুন কমিটি আর গঠন হয়নি। প্রায় সাত বছর পর এই কমিটির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হতে যাচ্ছে আগামী মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর)। ইতোমধ্যে শহরের টাউন ফুটবল মাঠে সম্মেলন সম্পন্ন করতে সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্নের কাজ চলছে। এদিকে, সম্মেলনকে ঘিরে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা এবং উৎসবের আমেজ। নেতাকর্মীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের জেলা পর্যায়ের শীর্ষ দুই পদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কারা হচ্ছেন, তা নিয়েই চলছে নানা আলোচনা। বলে রাখা ভালো- অনুষ্ঠিতব্য এই সম্মেলনে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ও পৌর, আলমডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর, জীবননগর উপজেলা ও পৌর এবং দামুড়হুদা উপজেলা থেকে জনসংখ্যার ভিত্তিতে ২১৮ জন কাউন্সিলর থাকবেন। এরমধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী প্রতিটি উপজেলা ও পৌরসভা থেকে বিশেষ বিবেচনায় (কোওপ্ট) ৫ জন করে কাউন্সিলর মনোনীত করা হয়েছে। তবে দর্শনা পৌর আওয়ামী লীগের কমিটি ইউনিয়ন মর্যাদার হওয়ায় বিশেষ বিবেচনায় (কোওপ্ট) ৫ জন কাউন্সিলর এবারের সম্মেলনে তারা পাচ্ছেন না। আর সম্মেলন উপলক্ষে কাউন্সিলর নির্বাচনের ক্ষেত্রে মোট জনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রতি ১০ হাজারে ১ জন করে কাউন্সিলর নির্বাচন করা হয়েছে। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির কয়েকজন নেতা মৃত্যুবরণ করায় কমিটির বাকী ৬৯ জন সম্মেলনে কাউন্সিলর হয়েছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, অনুষ্ঠিতব্য সমম্মেলন উপলক্ষে বিশাল মাঠজুড়ে প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। সম্মেলনের প্রস্তুতি হিসেবে এরই মধ্যে সম্মেলন স্থলসহ শহরের বিভিন্ন সড়কে তোরণ, ফেস্টুন আর ব্যানারে ছেয়ে গেছে। কোনো কোনো সড়কে নেতাদের অভিনন্দন জানিয়ে ও প্রার্থী হতে চেয়ে এখনো ফেস্টুন-ব্যানার সাঁটানো হচ্ছে। সম্মেলনের আমন্ত্রিত অতিথি কেন্দ্রীয় নেতাদের অভিনন্দন জানিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ও তাঁদের কর্মী-সমর্থকেরা এসব তোরণ, ফেস্টুন ও ব্যানার টাঙিয়ে রেখেছেন। তবে সভাপতি পদে তেমন কারোর তোরণ, ফেস্টুন ও ব্যানার চোখে পড়েনি। এতে বোঝা যায় চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের প্রাণ-পুরুষ ও বর্তমান সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপিকে সবাই আবারও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে চাচ্ছেন। শুধু চুয়াডাঙ্গা জেলা নই, বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি এ অঞ্চলের সবার অভিভাবক ও ভালোবাসার মানুষ হিসেবেই আজ প্রতিষ্ঠিত। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানও দলমত নির্বিশেষে তাকে এক অন্যন্য উচ্চতায় এ অঞ্চলের মানুষের কাছে আসীন করেছে। আর সেই কারণে সবাই আবারও বীর মুক্তিযোদ্ধা এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দারকে জেলার রাজনৈতিক অভিভাবক হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে থাকার জন্য বার বার অনুরোধ করে যাচ্ছেন। আর নেতাকর্মীদের এই চাওয়া সম্পর্কে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দও অবগত আছেন বলে অনেকে সময়ের সমীকরণকে জানান। সাধারণ নেতাকর্মীরা বলছেন, ‘দলের স্বার্থেই এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দারকে আমরা আবারও সভাপতি হিসেবে দেখতে চাই।’ কিন্তু জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সিনিয়র সহসভাপতি আশাদুল হক বিশ্বাস আসন্ন সম্মেলনে সভাপতি হতে চান বলে বিভিন্ন মাধ্যমে শোনা গেলেও সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে তাঁর বিষয়ে কোনো আগ্রহ সাংবাদিকদের চোখে পড়েনি। এ প্রতিবেদন প্রস্তুতকালে এবিষয়ে আশাদুল হক বিশ্বাসের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ সামসুল আবেদিন খোকনকে জেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়নি। তবে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান মনজু ও চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সহসভাপতি খুস্তার জামিল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য বাবু দিলীপ কুমার আগরওয়ালা এবারের সম্মেলনে চমক আনতে পারেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তেমনটাই আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে এই তিন নেতা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক হতে চান না। তাহলে কী চমক? জানতে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর একাধিকবার সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন অসুস্থ থাকার কারণে তা পরিবর্তন করা হয়। সর্বশেষ গত ২৮ নভেম্বর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও তা পরিবর্তন করে নতুন তারিখ আগামী ১২ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হলে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখরতা ফিরে আসে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১২ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। যা নাকি এযাবৎকালে চুয়াডাঙ্গার সবচেয়ে বড় এবং উৎসবমুখর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলে দলীয়ভাবে জানানো হয়েছে। জানা গেছে, এই সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, অন্যতম প্রবীণ নেতা কাজী জাফরউল্লাহ। প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক জনপথ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তবে তিনি স্বশরীরে উপস্থিত না থাকতে পারলেও ভার্চ্যুয়ালি উপস্থিত থাকবেন বলেও শোনা যাচ্ছে। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম। বিশেষ অতিথি থাকবেন সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাড. মো. আমিরুল আলম মিলন এমপি, পারভীন জামান কল্পনা, অ্যাড. গ্লোরিয়া সরকার ঝর্ণা এমপি। চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী টাউন ক্লাব ফুটবল মাঠেই অনুষ্ঠিত হবে এবারের সম্মেলন। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে যেমন সাজসাজ রব দেখা দিয়েছে, তেমনি চুয়াডাঙ্গা শহর যেন এক অনন্য সাজে সজ্জিত হয়েছে। জেলা শহরের সার্কিট হাউস থেকে শুরু করে শহরের প্রতিটি মোড়ে ও রাস্তার চারপাশে কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের ছবির সাথে শোভা পাচ্ছে ত্রিবার্ষিক জেলা সম্মেলনে যেসব নেতাকর্মী পোর্টফোলিও পোস্টে আসার জন্য অপেক্ষা করছেন, তাদের ছবি সম্বলিত তোরণ, ফেস্টুন ও ব্যানার। এছাড়া শহরের একাধিক স্থানে বড় বড় তোরণ নির্মাণ করে নিজেদের ছবির সাথে ঝোলানো হয়েছে কেন্দ্রীয় নেতাদের ছবি। বিলবোর্ডগুলোতেও শোভা পাচ্ছে নেতাকর্মীদের হাস্যোজ্জ্বল ছবি। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পছন্দের নেতাকর্মীদেরও জন্য দাবি করা হচ্ছে পদ-পদবি। এদিকে, সম্মেলনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই আলোচনা জোরালো হচ্ছে কারা হবেন জেলায় আওয়ামী লীগের আগামী দিনের কাণ্ডারি। সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুন মিয়াকে আবারো সবাই একই পদে দেখতে চাইলেও সাধারণ সম্পাদক পদে চাচ্ছেন পরিবর্তন। সাধারণ সম্পাদক পদে জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাদুল ইসলাম আজাদসহ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজী আলী আজগার টগর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চুয়াডাঙ্গার সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নানের নাম বেশ জোরোসরেই আলোচনায় রয়েছে। এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়ায় জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার, অলক রায় চৌধুরী ও জিপু চৌধুরীর পোস্টারও ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে তারা আদৌ কী এই পদ প্রত্যাশী সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এদিকে, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন সম্মেলনের স্থান পরিদর্শন করেছেন। গত বুধবার টাউন ফুটবল মাঠ পরিদর্শনকালে এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার সাংবাদিকদের বলেন, ‘যারা আওয়ামী লীগের জন্য নিবেদিতপ্রাণ, যারা ত্যাগী নেতা, তারাই ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে পোর্টফোলিও পদে আসীন হবেন। তিনি আরো বলেন, অভিজ্ঞ, ত্যাগী ও জনদরদী নেতাকর্মীদের সাথে তরুণ ও উদীয়মান নেতাকর্মীরাও নেতৃত্বে থাকবেন বলে আমি আশা করি। আমার বিশ্বাস, কেন্দ্রীয় নেতারাও তেমনটি বিশ্বাস করবেন।’ চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক ও আসন্ন সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী মুন্সী আলমগীর হান্নান বলেন, যদি নেতৃত্বে আসি, তবে আগের মতোই দলকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। আর যদি না আসতে পারি, তবে নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করে যাব।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন, আগামী নির্বাচন আমাদের জন্য খুব চ্যালেঞ্জের। তাই নির্বাচনকে মাথায় রেখে যোগ্যদের নিয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। যদি নেতৃত্বে আসি, তবে আগের মতোই দলকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।’ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য ও আসন্ন সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগে গুরুত্বপূর্ণ পদ প্রত্যাশী বাবু দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কেন্দ্রীয় নেতৃবন্দ যে কমিটি দেবেন এবং যাদের নেতা বানাবেন, তাদের পেছনে আমরা কাজ করব, যাতে প্রধানমন্ত্রীর হাত আরও শক্তিশালী হয়। নেতৃত্বের ক্ষেত্রে দ্বন্দ্ব থাকবে এটা স্বাভাবিক। তবে আমাদের চেষ্টা থাকবে সব বিভেদ ভুলে দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং দলের দুর্দিনে দলকে আরো সুসংগঠিত রাখা। এদিকে, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাদুল ইসলাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সহসভাপতি চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজী আলী আজগার টগর ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন এবং বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সী আলমগীর হান্নানের বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তাদের স্বস্ব নেতাকে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে যোগ্য মনে করে ও উক্ত পদ নির্বাচিত করার জোর আহ্বান ও দাবি জানিয়েছেন এবং জানাচ্ছেন। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ডা. মাহবুব হোসেন মেহেদী, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপু ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কৃষক লীগ নেতা গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দার, অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম শফিকে আসন্ন সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন করার জন্য তাদের পক্ষের নেতাকর্মীরা সরব রয়েছেন। তবে সব প্রশ্নের উত্তর পেতে শুধুই ১২ ডিসেম্বরের অপেক্ষা। উল্লেখ্য, আগামী ১২ ডিসেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, এমপি। সঞ্চালনা ও পরিচালনায় থাকবেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাদুল ইসলাম আজাদ।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)