ছবির ক্যাপশন:
ঝিনাইদহ অফিস:
ঝিনাইদহের মহেশপুর, কালীগঞ্জ ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলা থেকে ৭টি ককটেল ও ৯টি পেট্রোল বোমা জব্দ করেছে পুলিশ। এর আগে গত রোববার রাতে কালীগঞ্জের বারোবাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিসের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। পৃথক ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে, তবে পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। বারোবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিসে বসে কয়েকজন আলোচনা করছিলাম। এসময় কয়েকজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলেযোগে এসে ককটেল ছুড়ে পালিয়ে যায়।’
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম মোল্লা বলেন, ‘বারোবাজার ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ইউনিয়ন ছাত্রদল ও বিএনপির সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা হয়েছে।’
মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘রোববার ১১টার দিকে একটি নম্বর থেকে ফোন দিয়ে জানানো হয় পৌর শহরের মহিলা কলেজপাড়ার একটি ঝোপের মধ্যে ককটেল সদৃশ বস্তু পড়ে আছে। পুলিশ গিয়ে বাজারের ব্যাগ থেকে তিনটি ককটেল ও চারটি পেট্রোল বোমা জব্দ করে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। হরিণাকুণ্ডুর বৈঠাপাড়া এলাকা থেকেও পরিত্যক্ত অবস্থায় বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপর একটি মামলা হয়েছে।
ছাত্রদল ও বিএনপি নেতাদের নামে মামলার বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এম এ মজিদ বলেন, ঢাকার সমাবেশ ব্যর্থ করতে সরকার মরিয়া হয়ে উঠেছে। ক্ষমতা হারানোর আতঙ্কে দেশব্যাপী এই বোমা নাটক সাজানো হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, পূর্বের ন্যায় আবারো পুরানো নাটক মঞ্চস্থ করা হচ্ছে সর্বত্রই। ঝিনাইদহেও তার ব্যতিক্রম নয়। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ও পুলিশ যৌথভাবে এই নাটক সাজিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ভয় দেখাচ্ছে। কিন্তু তারা জানে না বিএনপি এখন অনেক শক্তিশালী। তিনি পুলিশ বাহিনীকে এই মিথ্যা নাটক বন্ধ করে জনবান্ধব হওয়ার আহ্বান জানান।
