ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাঁশির সুরে আর বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে চুয়াডাঙ্গার পান্না সিনেমার হল চত্বরে চলছে শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞ ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন। বাবু দিলীপ কুমারসহ চুয়াডাঙ্গার আগরওয়ালা পরিবারের আয়োজনে ১১তম বার্ষিকী ২৪ প্রহরব্যাপী অখণ্ড মহানামযজ্ঞানুষ্ঠানে উপচে পড়া ভিড়ের মাঝে ফুটে উঠেছে অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও উৎসবের আমেজ। আজ শেষ হচ্ছে এই শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞ ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন। গতকাল মহানামযজ্ঞানুষ্ঠানের আয়োজক ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহসভাপতি ও বর্তমান পরিচালক, বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)-এর সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য বাবু দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, ‘দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে অনুষ্ঠানটি সার্থক করে তোলার জন্য জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও চুয়াডাঙ্গার সকল স্তরের মানুষের কাছে আমি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছিলাম। ভগবানের কৃপায় সবাই আমাকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুনের প্রতি আমি কৃজ্ঞত। তিনি পুলিশের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এই যজ্ঞস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ সার্বিক সহযোগিতার জন্য পাঠিয়েছেন। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান আমাকে ও আমার পরিবারকে এই যজ্ঞ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করেছেন। তাই ডিসির প্রতিও আমি কৃতজ্ঞ।
বাবু দিলীপ কুমার আগরওয়ালা আরও বলেন, ‘ধর্ম যার যার, কিন্তু উৎসব তো সবার’ তাই তো দলমত-ধর্ম-নির্বিশেষে সকল স্তরের মানুষ এই যজ্ঞে এসেছেন। যেটা সত্যিই ভালো লাগার বিষয়। আমি যেমন চুয়াডাঙ্গাকে ভালোবাসি, ঠিক তেমনি চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসী আমার সকল সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে সহযোগিতা করেন। তার প্রমাণ পাঁচদিনের যজ্ঞানুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ও সুশৃঙ্খলভাবে যজ্ঞ পরিদর্শন। আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ক্ষুদ্র একজন কর্মী হিসেবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চুয়াডাঙ্গার গণমানুষের অনুরোধে এ জেলার উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করেছি। আর যতদিন বেঁচে থাকব, চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গাসহ এ জেলার সাধারণ মানুষের কথা ভেবে তাদের কল্যাণেই কাজ করছি এবং করে যাবো। মানুষ আমাকে অনেকেই জনপ্রতিনিধি হওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন এবং করছেন। তাই আমি বলতে চাই, সাধারণ মানুষের চাওয়ার মূল্যায়ন আমি করবো। জননেত্রী যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন, তাহলে আমি প্রার্থী হব। তবে আমার নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তিনি যাকে নৌকার মাঝি করবেন, আমি তার হয়েই কাজ করবো। আমি এমপি না হয়েও এ জেলার উন্নয়নে যতো কাজ করি, যেটা কোনো অংশে কম নই। আগামীতেও আমি চুয়াডাঙ্গার উন্নয়নে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করে যাবো।’
উল্লেখ্য, ২৪ প্রহরব্যাপী অখন্ড শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞানুষ্ঠানটি সফল করতে ও যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ ও দিলীপ কুমার আগরওয়ালার স্পেশাল ফোর্স যজ্ঞস্থলে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করে যাচ্ছে। এছাড়া সকল ভক্তবৃন্দ যেন সুষ্ঠুভাবে প্রসাদ গ্রহণ করতে পারে, সেই জন্য সকল স্বেচ্ছাসেবকদেরকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সচেতন করে দেয়া হয়েছে।
