জীবননগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডেন্টিস্ট সোহেলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ: অফিস সময়ে প্রাইভেট প্রাকটিস : ভোগান্তিতে রোগীরা

আপলোড তারিখঃ 2017-07-11 ইং
জীবননগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডেন্টিস্ট সোহেলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ: অফিস সময়ে প্রাইভেট প্রাকটিস : ভোগান্তিতে রোগীরা ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক: জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কনসালটেন্ট (ডেন্টাল) সোহেলের বিরুদ্ধে অফিস ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পূর্বে ৩১ শয্যা বিশিষ্ঠ হওয়ায় সে সময় সাধারন মানুষ, চিকিৎসা সেবা দিতে যেয়ে ডাক্তারদের বসার জন্য আলাদা কোন চেম্বার না থাকায় সঠিক ভাবে চিকিৎসা নিতে পারত না। বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি উপজেলার ৩১শয্যা বিশিষ্ঠ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো ২০শয্যা বাড়িয়ে বর্তমানে ৫১শয্যা করেছে। কিন্তু জীবননগর হাসপাতালটিতে ডাক্তারদের জন্য আলাদাভাবে বসার উন্নত মানের চেম্বার করা হলেও রোগিদের চিকিৎসার জন্য কোন উন্নত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ডাক্তাররা সময় মত অফিসে না আশায়, চিকিৎসা সেবা নিতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে সাধারন রোগীদের। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০.৪০মিনিটে এই প্রতিবেদক হাসপাতালে গেলে নামপ্রকাশ না করার শর্তে একাধিক রোগী বলেন, এখানে সোহেল ডাক্তারের কাছে দাঁতের চিকিৎসার জন্য এসেছিলাম। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় থেকে তাকে না পেয়ে চলে যেতে হচ্ছে। এর আগেও কয়েকদিন ডাক্তার সোহেলকে না পেয়ে এ ভাবেই ঘুরে যেতে বাধ্য হয়েছি। সাধারণ রোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কনসালটেন্ট (ডেন্টাল) ডা. সোহেলের ১০১নং রুমে যেয়ে দেখা যায় সেখানে চেয়ার, টেবিল এলোমেলো অবস্থায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে, ডাক্তার তার অফিসে নেই। অফিস দেখে মনে হয় না যে, এখানে একজন  ডাক্তার বসেন, যিনি সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেন। মনে হবে এখানে যেন কেউ বসে চায়ের আড্ডা দিয়ে থাকে। পাশে একজনের কাছে সোহেল ডাক্তারের কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন ডাক্তার সাহেব একটু বাইরে গিয়েছে। অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে, ডা. সোহেল প্রতিদিন সকাল ১১টার পরে চেম্বারে আসেন এবং ১টার দিকে চলে যান। অথচ সরকারী নিয়মনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে অফিস করার কথা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাসপাতালের বাইরে ডাক্তার সোহেলের একটি নিজস্ব ডেন্টাল ক্লিনিক রয়েছে। সেখানে তিনি নিয়মিত রোগী দেখে থাকেন। আর তার নিয়োগকৃত দালালরা হাসপাতালে এসে বসে থাকে। রোগীরা সোহেল ডাক্তারের খোজ করলে দালালরা তাদের ডা. সোহেলের ওই চেম্বারে নিয়ে যায়। সেখানে ডা. সোহেল তার ফিসসহ দালালদের হাজিরা তুলে নেন এবং উর্দ্ধতন কোন কর্মকর্তা হাসপাতাল পরিদর্শনে এলে দালালরা তাকে জানিয়ে দেয়। এ নিয়ে কোন সমস্যা হলে তিনি যে কোন অজুহাতে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলেন। এদিকে কর্তব্যে অবহেলার কারণে ডা. সোহেলের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় ভূক্তভোগীর সংখ্যা বাড়ছে। জনমনে সঞ্চারিত হচ্ছে ক্ষোভ। এ ব্যাপারে ডা. সোহেলের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)