ছবির ক্যাপশন:
করোনার বিপত্তি কাটিয়ে দুই বছর পর গত মঙ্গলবার (৩ মে) উদ্যাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ঈদের দিন সকাল থেকেই শুরু হয় বৃষ্টি। এছাড়াও কিছু কিছু এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ও হয়। ফলে ঈদ মাঠের পরিবর্তে ঈদুল ফিতরের নামাজ এসব জেলার মসজিদগুলোতে আদায় করেছেন মুসল্লিরা। আবহাওয়া অধিদপ্তর অবশ্য ঈদের আগেই সতর্ক করে জানিয়েছিল, ঈদের দিনসহ ঈদের পরের দুদিনও বৃষ্টিপাত হতে পারে। সেই আভাস অনুসারে ঈদের দিন সকালে চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুরসহ সারাদেশে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এদিন সকাল থেকে সারা দেশের ঈদগাহ ময়দান ও মসজিদে ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করতে মুসল্লিদের ঢল নামলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বাগড়া দেয় বৃষ্টি। মঙ্গলবার ঈদের দিন সকাল সাতটার আগে থেকেই চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুরসহ সারা দেশের আকাশের মুখ গোমড়া হতে থাকে। ৮টার পর থেকে চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ঝিনাইদহসহ দেশের বেশিরভাগ জায়গায় অভিমানে ঝরতে শুরু করে বৃষ্টি। বেশ কিছু জায়গায় আরও আগে থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়। তবে ঈদের পরের দিন বৃষ্টিপাত নাহলেও গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে আবারো বৃষ্টিপাত হয়।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামাদুল হক জানান, পূর্বের আভাস অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশের বেশির ভাগ এলাকায় ঈদের দিন সকাল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়। ওই দিন চুয়াডাঙ্গায় ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। ঈদের পর আবহাওয়া পরিবর্তন হয়ে স্বাভাবিক হয়েছে।
