ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গার শ্রীরামপুরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার সৎ পিতা আতিয়ারের বিরুদ্ধে। গত বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) রাত ৮টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। পরে ২০ হাজার টাকা দিয়ে বিষয়টি আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় কিশোরী তার সৎ পিতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবির জানিয়েছে।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের আতিয়ার রহমান ৭ বছর পূর্বে একই গ্রামের সেলিনা খাতুনের সাথে বিবাহ করে। সেলিনা খাতুনের ইতঃপূর্বে দাম্পত্য সংসারে কিশোরী একটি মেয়ে আছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে সেলিনা খাতুন পাশের বাড়িতে যায়। কিশোরীর সৎ পিতা বাড়ি ফাঁকা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ওই কিশোরীকে। কিশোরী তার সৎ পিতার নিকট থেকে ছাড়া পেয়ে প্রতিবেশীদের নিকট ছুটে যায়। পরে রাতে কিশোরীর মা সেলিনা খাতুন বাড়ি ফিরলে সৎ পিতার জোরপূর্বক ধর্ষণের ঘটনাটি জানায়। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। ইতঃপূর্বে ওই কিশোরীর গত ৬ মাস পূর্বে পোড়াদহ কামারডাঙ্গায় এক অটোচালকের সাথে বিবাহ হয়।
কিশোরীর মা সেলিনা খাতুন বলে, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি প্রতিবেশীদের বাড়িতে যান। এসময় বাড়ি ফাঁকা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তাঁর কিশোরী মেয়েকে।
এ ঘটনায় প্রতিবেশী লাল্টু বলেন, গত বৃহস্পতিবার রাতে আতিয়ার নামে ওই কিশোরীর সৎ পিতা জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় সামাজিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ২০ হাজার টাকা ধর্ষণের ঘটনায় জরিমানার অভিযোগ সত্য নয়। সেলিনা খাতুনের নিকট থেকে ২০ হাজার টাকা নেয় আতিয়ার। ওই টাকা ফেরৎ দিতে চেয়েছে আতিয়ার। এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এমন ঘটনায় অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
