ছবির ক্যাপশন:
গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্য নিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য এ বছর পুলিশ সপ্তাহে বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ পদক বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম-সেবা) পদকে ভূষিত হচ্ছেন চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম।
বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম-সেবা) বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যদের প্রতিবছর অসীম বিরত্ব ও সাহসীকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসাবে প্রদান করা হয়। প্রতিবছর পুলিশ সপ্তাহের বার্ষিক পুলিশ প্যারেডে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এই পদক পরিয়ে দেন। যারা এই পদকে ভূষিত হন তাদের নামের শেষে বিপিএম উপাধি যুক্ত হয়।
আগামীকাল রোববার (২৩ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজারবাগ পুলিশ লাইনস প্যারেড গ্রাউন্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে (ভার্চুয়ালি) এ পদক প্রদান করবেন। পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম ২০১৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর চুয়াডাঙ্গায় দায়িত্ব গ্রহণের পর জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা অপরাধ নিয়ন্ত্রণ মানবিক, সামাজিক, গণমুখী ও প্রো-অ্যাকটিভ পুলিশিং সেবা অব্যাহত রেখেছেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলার গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলামকে বিপিএম (সেবা)/পিপিএম (সেবা) প্রদানের সুপারিশ করেন বাংলাদেশ পুলিশ খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. খ. মহিদ উদ্দিন, বিপিএম (বার)।
পুলিশ সপ্তাহে মোট চারটি ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়- বিপিএম সাহসিকতা, বিপিএম সেবা, পিপিএম সাহসিকতা, পিপিএম সেবা। এ বছর পুলিশ সপ্তাহে ২০২০ সালে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৫ জন বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), ২৫ জনকে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) পদক এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ২৫ জনকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম-সেবা) এবং ৫০ জনকে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা প্রদান করা হবে।
