ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গা পুরাতন পাঁচলিয়া গ্রামে থেকে বাঘডাশা আটকের পর বন বিভাগের সহায়তায় অবমুক্ত করা হয়েছে। গতকাল বুধবার ভোররাতে খাবারের সন্ধানে পাঁচলিয়া গ্রামে আসলে গ্রামবাসী বাঘডাশাকে আটক করে। সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে আলমডাঙ্গা বন বিভাগের সদস্যরা উদ্ধার করে। পরে পাচলিয়া গ্রামের মাঠের ক্যানেলে বাঘডাশাটি অবমুক্ত করেন।
জানা গেছে, উপজেলার জামজামি ইউনিয়নের পাঁচলিয়া গ্রামের বিলপাড়ার আহাদত আলীর বাড়িতে রাতে খাবারের সন্ধানে বন্যপ্রানী বাঘডাশা ঢুকে পড়ে। পরে আহাদত আলী গ্রামবাসীর সহযোগিতায় বাঘডাশাটি আটক করে। সকালে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে আহাদত আলীর বাড়িতে বাঘ ধরা পড়েছে। পরে সেখানে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও জামজামি ক্যাম্প পুলিশ উপস্থিত হয়। পরে সংবাদ দেওয়া হয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বন বিভাগকে। খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তা উপস্থিত হয়ে বাঘডাশাটি উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রনি আলম নূরের নির্দেশে বন বিভাগের কর্মকর্তা শাকিল পারভেজ, ইউপি সদস্য রাশেদুজ্জামান রাজিব, মতিয়ার রহমান লাড্ডু, জামজামি ক্যাম্প এএসআই শহিদুল ইসলাম উপস্থিত থেকে পুরাতন পাঁচলিয়ার পাশ ক্যানেলে বাঘডাশাটি অবমুক্ত করা হয়।
আলমডাঙ্গা বন বিভাগের কর্মকর্তা শাকিল পারভেজ বলেন, পুরাতন পাঁচলিয়া গ্রামে থেকে বিরল প্রজাতীর প্রাণি বাঘডাশা আটকের সংবাদ পেয়ে বাঘডাশাটি গ্রামবাসীর হাত থেকে উদ্ধার করি। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশক্রমে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও জামজামি ক্যাম্প পুলিশের সহায়তায় অবমুক্ত করা হয়েছে।
ইউপি সদস্য রাশেদুজ্জামান রাজিব বলেন, ‘বিপণ্ন প্রায় বাঘডাশাটি অবমুক্ত করতে পেরে ভালো লাগছে। এদের প্রতি খারাপ আচরণ না করলে এরা কারও সঙ্গে খারাপ আচরণ করে না। এসব প্রাণি খুবই উপকারী। আসুন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সবাই মিলে বন্য প্রাণি সংরক্ষণ করি।’
