দর্শনার শ্যামপুরে সরকারি জমি অবৈধ দখল নিয়ে বিরোধ

আপলোড তারিখঃ 2022-01-05 ইং
দর্শনার শ্যামপুরে সরকারি জমি অবৈধ দখল নিয়ে বিরোধ ছবির ক্যাপশন:

দামুড়হুদার শ্যামপুর গ্রামের সরকারি জলাশয় পতিত জমি দখল নিয়ে বিরোধের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সমাধানে উদ্যোগ নেয় গ্রামবাসীর। দীর্ঘদিন ধরে দর্শনা মল্লিক পাড়ায় পতিত জলাশয় দখলকে কেন্দ্র করে আব্দুর রাজ্জাক ও গ্রামবাসীর সাথে বিরোধ চলে আসছিল। একপর্যায়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা সৃষ্টি হলে দর্শনা থানার সেকেন্ড অফিসার আহম্মদ আলী বিষয়টি নিরসনের জন্য উভয় পক্ষের ডেকে সিদ্ধান্ত নেন আগামী সপ্তাহ পর ওই পতিত জমির সরকারি অনুমোদন আনতে হবে। কিন্তু এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও গ্রামের আব্দুর রহমান, লিয়াকত আলী, আরিফসহ কেউই আসেননি।

টনাটি নিয়ে গেল বছরের ২৯ শে ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে চারটায় দর্শনা থানার সেকেন্ড অফিসার আহাম্মদ আলীর উপস্থিতিতে গ্রামবাসী ও আব্দুর রাজ্জাকের সাথে শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসময় আহম্মদ আলী উভয় পক্ষের মধ্যে সিদ্ধান্ত দেন যে সাত দিনের মধ্যে সরকারের কাছ থেকে গ্রামবাসীকে ওই জমির অনুমোদন আনতে হবে। না হলে আব্দুর রাজ্জাকের জমি সংলগ্ন হওয়ায় উক্ত পতিত জমি আব্দুর রাজ্জাকের হবে। এ শালিস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আব্দুর রাজ্জ্াক, শ্যামপুর গ্রামের লিয়াকত আলী, আব্দুর রহমান, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফ মল্লিকসহ প্রায় ১০-১২ জন।

``


দর্শনা থানার সেকেন্ড অফিসার আহম্মদ আলী জানান, ওই লোকগুলো পতিত জমিকে কেন্দ্র করে আব্দুর রাজ্জাকের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় টাকা নিয়েছে। ফলে গ্রামের লোকগুলোই বারবার জমি নিয়ে ঝামেলা তৈরি করে।

এ বিষয় আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘যেহেতু সরকারি পতিত জমি আমার জমির সামনে, সেহেতু ওই জমি আমার ব্যবহার করার অধিকার রয়েছে। ফলে আমি যদি তারকাটা দিয়ে ঘিরে নিই, তাহলে ওই লোকগুলোর এত মাথাব্যথা কেন?’

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, দর্শনা শ্যামপুর মল্লিক পাড়ার চৌওরাস্তার সংলঘ্ন নদীর পাশে ১৪-১৫ বছর পূর্বে উজ্জলপুর নলবিলা গ্রামের মৃত আয়ুব আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক শ্যামপুর গ্রামের মল্লিকপাড়ায় ২৬ শতক জমি ক্রয় করেন। সে সময় থেকেই নদীর পাশে অবস্থিত কবরস্থান সংলঘ্ন জলাশয় দখল করার নানা ফন্দি করে আসছেন তিনি। মল্লিক পাড়ার লোকজনের দাবি, সরকারি জমি পড়ে থাক, কোনো ব্যক্তি তা দখলে নেবে কেন? এদিকে এ জমিকে ঘিরে ১৯৮৬ সালের দিকে সিতাব মালিথা নামে একজন ট্রেনে মাথা দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

এ বিষয় দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাসলিম আক্তার বলেন, সরকারি জমি কেউ দখল করতে পারবে না। এছাড়া আহম্মদ আলী এ জমির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। কারণ সরকারি জমি বন্দোবস্ত দিতে হলে উপজেলা খাস জমি বন্দোবস্ত কমিটি আছে, তারা সিন্ধান্ত দেবে কাকে খাস জমি বন্দোবস্ত দিতে হবে। এছাড়া জেলা প্রশাসক খাস জমির বিষয়ে সিদ্ধান নেবেন।’

দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, সরকারি খাস জমি ঘিরে নেওয়ার অধিকার কারও নেই বা কেউ ব্যবহার করতেও পারেন না।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)