পুলিশি পাহারায় জীবননগর বেনীপুর বাওড়ে মাছ ধরা শুরু

আপলোড তারিখঃ 2021-12-20 ইং
পুলিশি পাহারায় জীবননগর বেনীপুর বাওড়ে মাছ ধরা শুরু ছবির ক্যাপশন:
অবশেষে পুলিশ পাহারার মধ্যে দিয়ে সাড়ে ৪ লাখ টাকায় এক মাসের জন্য খাস কালেকশনে নেওয়া বেনীপুর বাওড়ে মাছ ধরা শুরু করেছেন বেনীপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সদস্যরা। গতকাল রোববার বেলা ১১টার দিকে বেনীপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি হারুনের নেতৃত্বে সদস্যরা একত্রিত হয়ে বাওড় দখল করেন। এদিকে বেনীপুর বাওড় দখল করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এসময় জীবননগর থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সেখান থেকে ধান্যখোলা বাওড়পাড় সমবায় সমিতির সভাপতি দীন মুহাম্মাদ, সাধারণ সম্পাদক শ্রী পূর্ণ হালদার ও তাঁর স্ত্রীসহ চারজনকে আটক করে পুলিশ। আটককৃত ব্যক্তিরা জীবননগর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইফাদ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ৯০’র দশক হতে এই বাওড় ৫০ বছরের জন্য লিজ নেন ধান্যখোলা বাওড়পাড় সমবায় সমিতির মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্যরা। মৎস্যজীবী সদস্যদের দাবি করেন, ‘এখনো ২০ বছর বাওড়ে মাছ চাষের অনুমোদন রয়েছে আমাদের। এ নিয়ে হাইকোর্টের রায়ও আছে। আবার হারুনরাও নাকি সরকারিভাবে ইজারা নিয়েছে। আমাদের দাবি, প্রশাসন যেন এটা দ্রুত্ব সমাধান করে দেয়। তা না হলে শান্ত এলাকাটা অশান্তই পরিণত হবে।’ বেনীপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি হারুন আর রশিদ বলেন, ‘আমরা সরকারি নিয়ম অনুসারে বাওড় ইজারা নিয়েছি। আমাদের প্রশাসনিকভাবে অনুমোদন দিয়েছে বলে আমরা বাওড়ে নেমেছি। আমরা চাই সমঝোতার মাধ্যমে কাজ করতে। কিন্তু তারা কোনোভাবেই মানতে রাজি নয়। আমরা টাকা দিয়ে ইজারা নিয়েছি। আর কত দিন আমরা এভাবে চলব, আমরা তো সবাই এই বাওড়েও ওপর নির্ভরশীল।’ জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল খালেক বলেন, বেনীপুর বাওড়কে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য ধান্যখোলা বাওড়পাড় সমবায় সমিতির সভাপতি-সম্পাদকসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘বেনীপুর বাওড়টি হাইকোর্ট থেকে রায় দেয় খাস কালেকশন করার জন্য। বিগত যারা ছিল, তাদেরকে ডেকে একাধিকবার বলা হয়েছে। তারা সরকারি কোনো নিয়ম মানতে রাজি নয়। তাদের ডেকে বলা হয়েছে, তোমরা এক মাসের জন্য খাস কালেকশন যে টাকাটা হয়, সেটি তোমাদের দিতে হবে। কিন্তু তারা বছরে ৭৭ হাজার টাকার বেশি দিবে না বলে জানায়। পরবর্তীতে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ইজারার মাধ্যমে হারুন অর রশিদকে এক মাসের জন্য ৪ লাখ ৫০ টাকায় খাস কালেকশনে দেওয়া হয়। সেখানেও তারা বাধা সৃষ্টি করে। এরপর দুই পক্ষকে ডেকে একটি সমঝোতার আলোচনা করা হলেও তারা মানতে রাজি না হওয়ায় অবশেষে যারা ইজারা নিয়েছিল তাদেরকে দখল নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।’

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)