ছবির ক্যাপশন:
দর্শনায় স্থানীয় বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে দর্শনা সরকারি কলেজের তিনজন শিক্ষক- অধ্যক্ষ লতাফত হোসেন জোয়ার্দ্দার, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ও অধ্যাপক নাসির উদ্দিনকে ১৪ ডিসেম্বর রাত তিনটার দিকে দর্শনা কলেজ থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে পাক-হানাদার বাহিনী। কোথায় কখন হত্যা করে, আজ অবদি তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। গতকাল সকাল ৯টায় দর্শনা সরকারি কলেজের প্রধান কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত এই তিন শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পমাল্য অর্পণ, শহিদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই তিন শহিদের স্মৃতি স্তম্ভে পুস্পমাল্য অর্পণ করে দর্শনার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের শুরুতেই পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন কলেজের অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম। দর্শনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ও দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মনজু, সহকারী অধ্যাপক আশরাফুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম, জয়নাল আবেদীন, আব্দুস সবুর ও পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এ এম জাকারিয়া আলম, দর্শনা গণউন্নয়ন গ্রন্থাগারের পরিচালক আবু সুফিয়ান ও দর্শনা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিদ পারভেজ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দর্শনা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জেল হোসেন তপু।
