ছবির ক্যাপশন:
জীবননগরে করোনাকালীন সময়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। এসব উপকরণ আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করেন সহকারী শিক্ষক খালিদ হাসান।
জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর করোনাকালীন সময়ে শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ১টি মই, ২টি হেলমেট, ১টি প্লাস, ১টি হাতুড়ি, ১ট টেস্টার, ২টি স্কুড্রাইভার, ১টি গ্যাসটোন বিতরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তারই অংশ হিসেবে জীবননগরের ৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, সরকারিভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ উপকরণ ক্রয়ের জন্য নগদ টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও উপজেলার সন্তোষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক খালিদ হাসান জীবননগর বাজারের একটি হার্ডওয়্যার দোকানে বসে ৬৬টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মাঝে এসব উপকরণ বিতরণ করেন। তবে ৮টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী মালামাল ক্রয় করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার জালাল উদ্দীন জানান, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারগণ স স বিদ্যালয়ে যেয়ে মালামাল দেখে প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে প্রত্যায়ন দেওয়ায় আমি বিদ্যালয়গুলোকে বিল প্রদান করি। অথচ আজকে মেঘনা এন্টারপাইজ (দত্তনগর রোডে অবস্থিত) সন্তোষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক খালিদ হোসেন বসে ৬৬টি বিদ্যালয়ের নিম্নমানের মালামাল বিতরণ করেছেন। উপজেলার একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিজে মালামাল ক্রয় করায় গত ৮ ডিসেম্বর আমি নিজে ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মহিউদ্দীন জীবননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে মালামাল দেখে বিল প্রদান করেছি। তবে তবে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারগণ কীভাবে মালামাল বিতরণের পূর্বেই পরিদর্শন করেছে, তা আমার জানা নেই। উল্লেখ্য, ইতঃপূর্বেও করোনাকালীন সময়ে উক্ত শিক্ষক সরকার প্রদত্ত মালামাল বিতরণ করেছেন।
